দীর্ঘ ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটল। বলিভিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইরাক। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের পর এই প্রথম বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিল ‘লায়ন্স অফ মেসোপটেমিয়া’রা। মেক্সিকোর মন্তেরেইতে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে মুখোমুখি হয় দুই দল। ম্যাচের শুরুর দিকেই আলী আল-হামাদির জোরালো হেডারে লিড নেয় ইরাক। তবে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ার পর মরিয়া হয়ে ওঠে বলিভিয়া। প্রথমার্ধের বিরতির ঠিক আগেই ময়েসেস পানিয়াগুয়া গোল করে বলিভিয়াকে সমতায় ফেরান।

১-১ সমতা নিয়ে বিরতি থেকে ফেরার পর ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন আয়মেন হুসেইন। ৫৩ মিনিটে ক্লিনিক্যাল ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করে ইরাককে আবারও লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচের বাকি সময়ে গোল শোধের জন্য বলিভিয়া প্রচ- চাপ সৃষ্টি করলেও ইরাকের রক্ষণভাগ তা সামলে নেয়। রক্ষণাত্মক কৌশলে দারুণভাবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করে শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে ইরাক।

ম্যাচ শেষে কোচ গ্রাহাম আরনল্ড ও জয়সূচক গোলের অন্যতম কারিগর মোহনদ আলীকে নিয়ে উল্লাসে মাততে দেখা যায়। এই জয়ের ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইরাক। অন্যদিকে, লড়াকু ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় মাঠ ছাড়তে হয় বলিভিয়াকে। ইরাকের কোচ গ্রাহাম আরনল্ডের অধীনে এই জয় দেশটির ফুটবলের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।