আগেই নিশ্চিত হয়েছিল চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোর ১২টি দল। প্লে-অফ পেরিয়ে বাকি ৪টি স্থানও নিশ্চিত হয়েছে। বেনফিকাকে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। লিগ প্রতিদ্বন্দ্বী মোনাকোকে হতাশ উপহার দিয়ে পৌঁছে গেছে পিএসজিও। জুভেন্টাসের সর্বনাশ করে ওপরের ২ দলের সঙ্গী তুর্কি ক্লাব গালাতাসারাই। বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হতাশ করে শেষ ষোলোতে উঠেছে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তা। প্রথম লেগে ১-০ গোলের জয় নিয়ে দ্বিতীয় লেগে বেনফিকার বিরুদ্ধে খেলতে নেমিছিল রিয়াল। এদিনও কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে তিযোগিতাটির রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন দলটি। ঘরের মাঠে ২-১ গোলে জিতে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ গোলের অগ্রগামিতায় শেষ ষোলোয় উঠেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুস জুনিয়ররা। আরেক লড়াইয়ে, পিএসজির বিপক্ষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ম্যাচে সমতা টেনে লড়াই জমিয়ে তুলেছিল মোনাকো। তবে বাকি সময়ে নাটকীয় কিছু করে দেখাতে পারল না তারা। এই ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র করলেও প্রথম ম্যাচে ৩-২ গোলে হারায় ৫-৪ অগ্রগামিতায় শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে পিএসজি। অন্যদিকে, একসময়ের প্রবল শক্তি জুভেন্টাস প্রথম লেগে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল গালাতাসারাইয়ের মাঠে। ফিরতি লিগে ম্যাচ জমিয়ে তোলে তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যে ৩ গোল দিয়ে স্কোরলাইন ৫-৫ করে ফেলে ইতালিয়ান ক্লাবটি। তবে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে আর পেরে ওঠেনি দলটি। ২ গোল দিয়ে হারের ব্যবধান কমিয়ে আনে গালাতাসারাই। ৩-২ ব্যবধানে হারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৫ ব্যবধানে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে তারা। প্রথম লেগে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠে ২-০ গোলে হারা আতালান্তা ঘরের মাঠে জিতেছে ৪-১ গোলে। ৪-৩ গোলের অগ্রগামিতায় ইতালিয়ান দলটি উঠেছে শেষ ষোলোয়। আগের দিনই প্লে-অফ থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল অ্যাথলেতিকো মাদ্রিদ, বায়ার লেভারকুজেন, নিউক্যাসল ইউনাইটেড ও বোদা/গ্লিম্ট। তার আগে প্রথম পর্বের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ আটে থেকে সরাসরি নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ, লিভারপুল, টটেনহ্যাম হটস্পার, বার্সেলোনা, চেলসি, স্পোর্তিং সিপি ও ম্যানচেস্টার সিটি। আগামী শুক্রবার হবে শেষ ষোলোর ড্র।