দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিন। আগামী বছর এই সংস্থাটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সে নির্বাচনে সভাপতি পদেই লড়বেন তিনি। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) টানা চারবার সভাপতি ছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় পঞ্চম মেয়াদে আর নির্বাচন করা হয়নি। তবে বাফুফেতে না থাকলেও ২০০৯ সাল থেকে সাফের সভাপতি হিসেবে ঠিকই আছেন দেশের ফুটবলের একসময়ের বড় তারকা। ২০২৬ সালে সাফে সালাউদ্দিনের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। বাফুফেতে না পারলেও সাফে ঠিকই পঞ্চম মেয়াদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। শনিবার শ্রীলঙ্কা থেকে সাফের সভা শেষে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবেক তারকা এই ফুটবলার।

আগের দিনই সাফের সভায় বয়সসীমা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এরপর নির্বাহী কমিটির সভাতে একজন সংগঠকের টানা নির্বাচন করার বাধা উঠে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করে কাজী সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘বয়সসীমা উঠে গেছে। এখন টানা কয়েকবার নির্বাচনে বাধাও থাকবে না। সামনের সাফের সভাতে এটা পাস হবে। এমন অবস্থায় আমি ২০২৬ সালে পঞ্চম মেয়াদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

টানা পঞ্চমবার নির্বাচন করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সালাউদ্দিন জানালেন, ‘আমি যখন সাফের সভাপতি হই, সে সময় টুর্নামেন্ট কম ছিল। এখন প্রতি বছরে অনেক টুর্নামেন্ট হচ্ছে। সাফের সিনিয়র আসরটি হোম এন্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক করতে যাচ্ছি। জুনেও এটা প্রথমবার হতে পারে বলে সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সাফে ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ হবে। আমাদের হাতে স্পনসর রয়েছে। সাফের সব দেশ আমাকে নতুন মেয়াদে সভাপতি হতে সমর্থন দিয়েছে। এএফসি সভাপতিও বলেছেন কাজগুলো সম্পন্ন করে যেতে, আরেক মেয়াদে থাকতে। এবার বাফুফেতে থাকা হয়নি। তবে সাফে ২০২৬ সালে নতুন মেয়াদে নির্বাচন করবো।’

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ফেডারেশনে (সাফ) নির্বাচন করতে হলে বাফুফে থেকে সমর্থন লাগবে। সালাউদ্দিনের বিশ্বাস সেই সমর্থন তিনি পাবেন, ‘এখনও পর্যন্ত বাফুফে থেকে আমার প্রতি সমর্থন রয়েছে। অন্য কেউ দাঁড়াবে বলে শুনিনি। তাই আমি আবারও নির্বাচন করবো। আশা আছে, বাফুফের সমর্থন পাবো কোনও সমস্যা হবে না। আর সাফের অন্যদেশগুলো আমাকে সমর্থন দিয়ে রেখেছে। যদি অন্য দেশগুলো সমর্থন না দিতো তাহলে তো বয়সসীমা প্রত্যাহার হতো না।