এসএ গেমসে স্বর্ণ জয়ী ফেন্সার ফাতেমা মুজিব হাঁটুর চোটের কারণে অন্তত চার মাস খেলার বাইরে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত চোট কাটিয়ে আবারও তরবারি নিয়ে ফেন্সিংয়ের পিস্টে ফিরতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফেন্সার। আজ শুক্রবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে চারদিনব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে এই প্রতিযোগিতা। এই প্রেসিডেন্ট কাপ ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ শুধু একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট নয়, এটি মূলত আমাদের ফেন্সারদের সাফ গেমসের প্রস্তুতির অংশ। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ ফেন্সিং দলের সামনে রয়েছে নেপালে আন্তর্জাতিক ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ এবং আগামী ১৮ থেকে ২৬ জুন ভারতের নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ। সব মিলিয়ে ফেন্সারদের প্রতিযোগিতার মধ্যে রেখে আন্তর্জাতিক মানে প্রস্তুত করাই ফেডারেশনের মূল লক্ষ্য। এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন জেলা, সার্ভিসেস সংস্থা যেমন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাবের মোট ১৮টি দল অংশগ্রহণ করছে। ইপি, ফয়েল ও সেবার- এই তিন ইভেন্টে পুরুষ ও নারী একক ও দলগত বিভাগে সব মিলিয়ে ২৫০ জন ফেন্সার।

ফাতেমা ফেরায় এবারের ফেন্সিং প্রতিযোগিতা আরও আকর্ষণীয় হবে বলে মনে করেন ফেডারেশন কর্মকর্তারা। তবে শুধু ফাতেমা নয় তার মত আরও অনেক খেলোয়াড়কে তৈরি করার চেষ্টা করছে ফেডারেশন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের সভাপতি মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম বলেছেন, “ফাতেমার পায়ের ইনজুরির কারণে চার মাস মাঠের বাইরে ছিল। এসএ গেমসের ক্যাম্পেও অনুপস্থিত ছিল সে। তবে এখন সে পুরো ফিট। কিন্তু আমরা শুধু ফাতেমা মুজিবকে নিয়েই ব্যস্ত নেই। আমরা ওর অনুপস্থিতিতে আরও অনেক ফাতেমা মুজিবের মত ফেন্সার বের করেছি। ফাতেমা ২০১৯ সালে অনুষ্টিত এসএ গেমসে বাংলাদেশ দলের পক্ষে প্রথম স্বর্নপদক জিতেছিল। ওকে দেখে অনেক ফেন্সার এগিয়ে এসেছে। ও হলো আমাদের সিমবলিক। ওকে দেখে অনেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছে।’ এবারের প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে বিশ্বের খ্যাতনামা মোটরবাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুজুকি। গত বছর আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত জুলাই রেভ্যুলেশন ফেন্সিং চ্যাম্পিয়নশিপেও সুজুকি পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল।