ঈদুল আজহার দিন থেকে শুরু হওয়া বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় শুক্রবার (২৯ মে) রাত ১০টা পর্যন্ত ২২ হাজার টনের বেশি কোরবানি বর্জ্য অপসারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। তবে ঈদের দিন রাত ৯টার মধ্যে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল সিটি করপোরেশন।
শুক্রবার সকালেও সিটি করপোরেশনটির বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়। অবশ্য এদিন সকাল থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম গতি পায়। এতে দুপুরের মধ্যেই অধিকাংশ এলাকার বর্জ্য অপসারণ করা হয়। তবে এখনো কিছু কিছু জায়গায় কোরবানির ছাট এবং রক্তমাখা পানি রয়েছে।
ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নকর্মীরা ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত ২২ হাজার ৮৮ টন বর্জ্য মাতুয়াইল ভাগাড়ে চূড়ান্তভাবে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে ঈদের পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবার সাত হাজার ২৭৪ টন বর্জ্য চূড়ান্তভাবে ফেলা হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই বর্জ্য ফেলা হয়।
এদিকে, দুপুরে শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শনকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকা থেকে শুক্রবার ১১ হাজার ৭৭৬ টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ হিসাবে প্রশাসকের ঘোষণার তুলনায় আজ প্রায় সাড়ে চার হাজার টন কম বর্জ্য অপসারণ করেছে সিটি করপোরেশন।
প্রশাসক মো. আবদুস সালাম দাবি করেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দক্ষিণ সিটি এলাকায় কোরবানির পশু এবং অস্থায়ী হাটের বর্জ্য দ্রুত অপসারণে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দিতে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠে থেকে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ঈদুল আজহার প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও কোরবানির পশুর বর্জ্য এবং অস্থায়ী হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম অত্যন্ত জোরদারভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নগরবাসীর স্বস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব বর্জ্য অপসারণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’