বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা: রাজশাহীর বাগমারায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপজেলা প্রশাসন থেকে একজন করে ট্যাগ অফিসার দেয়া হলেও তাদের কার্য ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং তেল নেই বলে পোস্টার ঝুলছে। অসাধু মজুতদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্নের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে।

ফলে অনেক বাইকরারা মোটর সাইকেলে তেল না পেয়ে বিপাকে রয়েছেন। স্থানয়ীদের দাবি সুষ্ট বন্টনে কিছুটা হলেও স্বস্থি মিলতে পারে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেমন সুব্যবস্থা না থাকায় জটিলতা বাড়ছে। অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনগুলোতে দায়িত্বশীল অফিসার ও পুলিশকে পাশকাটিয়ে স্থানীয় বখাটেদের অপতৎপরতায় ন্যায্য তেল (পেট্রোল) পেতে গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলায় ভবানীগঞ্জ ফিলিং স্টেশন, হাটগাঙ্গোপাড়া, শিকদারি ফিলিং স্টেশন, এবং মচমইল বাজারের সোহেল ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকদের অভিযোগ বকাটেদের হাত করে ফিলিং স্টেশন মালিক তেল শেষ না হতে তেল শেষ বলে দায় কাটাচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় বকাটেরা মব সৃষ্টি করে ১০০ টাকার বিনিময়ে লাইনের লোক বাদ দিয়ে তেল (পেট্রোল) সরবরাহ করছে। এতে বাধাঁ দিতে গেলে লাঞ্ছিত হচ্ছে সাধারণ গ্রাহক। প্রশাসনের লোকজন থাকলেও তাদেরকে পাত্তা দিচ্ছে না সুবিধাবাদিরা। গত সোমবার উপজেলার হাটগাঙ্গোপাড়ায় গাড়িতে তেল নিতে আসা হাজারো বাইকারদের লাইন। তেল নিতে সারিবদ্ধরা থাকলেও একদল বকাটে উশৃঙ্খল ভাবে তেল নিতে থাকলে তাকে বাঁধা দিতে গিয়ে এক মোটর সাইকেল আরোহী মারপিটের শিকার হন। এমনই ভাবে উপজেলার মচমইল বাজারে ৬ হাজার লিটার তেল বিতরণের সময় সারিবদ্ধ কিছু মোটর সাইকেলকে তেল দেয়ার পর তেল দেয়া বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে বাইকাররা প্রতিবাদ করতে স্থানীয় বকাটে মব সৃষ্টি করে। এমতবস্থায় বকাটেদের অত্যাচারে তেল-পেট্রোল নিতে বেকায়দায় পড়েছেন সাধারণ মোটরসাইকেল চালকরা। তেল ঠিক মত না পেয়ে উপজেলার স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত ও ব্যবসায়ীকসহ সর্বস্তরের জনগণ বিপাকে রয়েছেন।

এদিকে প্রশাসনের তীর বইছে গাড়ির কাগজ আর হেলমেড বিষয়ের দিকে। তেল দিতে অপারগতায় এমন কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তৈল নেই, এটা নিয়ে মাথা ব্যথা নেই, অথচ বাইকারদের বিরুদ্ধে উল্টো ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন বলে তারা অভিযোগ করছেন।