আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা : আদমদীঘির সান্তাহারে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মালিক, শ্রমিক ও ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সা শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অতন্ত ১০জন আহত হয়েছে। সম্প্রতি সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় প্রায় ঘন্টা ব্যাপি এ সংঘর্ষে ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় সাথে চলাচলকারী সকল সিএনজি চালিত অটোরিক্স ও ব্যাটারীচালিত অটোরিক্স চলাচল বন্ধ হয়। সান্তাহার সভার বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহতদের আদমদীঘি হাসপাতাল ও নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা করা হয়। দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল থেকেই সান্তাহার, রানীনগর-আত্রই সড়কে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছে।

সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মালিক, আহতরা হলো, নাদিম হোসেন (৪০), শহীদ হোসেন (৩২) এজাজ হোসেন (৪০) বাবু মিয়া (৩০) ও আলম (৩৫) স¦াধীন ইসলাম (৩২) স্বপন হোসেন (৪২) সুজন হোসেন (৩৩) শুভ হোসেন (৩৫) ও শহীদ আলী (৩১)। আহতদের মধ্যে স্বপন হোসেনের অবস্থা আশংকা জনক বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার উভয় সংগঠনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারপিটের ঘটে। এ ঘটনার মিমাংসার জন্য গত মঙ্গলবার বিকেলে সান্তাহারে একটি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই পুনরায় দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাাটির এক পর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তাদের হাতে লাঠি ও রেললাইনের পাথর নিয়ে প্রায় ঘন্টা ব্যাপি উভয়ের মধ্যে পাল্টাপাল্টি পাথর নিক্ষেপ ও সংঘর্ষ চলে। এ সময় সান্তাহার স্টেশন চত্বর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, লোকজনকে এদিক ওদিক ছুটাছুটি করতে দেখা যায়। মুহুর্তে আশপাশের দোকান পাঠ বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা ও সান্তাহার ফাঁড়ি পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে করেন। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানা, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উল্লেখ্য : ২০১৬ সালে ৮ জানুয়ারী সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় এই দুটি সংগঠনের শ্রমিকদের মধ্যে সংঘটিত সংঘর্ষে শফিকুল ইসলাম ও সোহরাব হোসেন সোহাগ নামের দুই শ্রমিক খুন হয়েছিল। ওই মামলাটি চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি বলে অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান।