ফলাফল ঘোষণা ও শপথের সুযোগ চেয়ে চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর ও চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির লায়ন আসলাম চৌধুরীর আবেদন নথিভুক্ত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আপিল শুনানির জন্য ৯ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ঋণখেলাপের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে।

ফলে সারোয়ার আলমগীর নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু ফলাফল আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকে; ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। এ অবস্থায় ফলাফল ঘোষণা ও শপথের সুযোগ চেয়ে সারোয়ার আলমগীর আবেদন করেন।

এদিকে ঋণখেলাপির অভিযোগের মুখে থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। এ অবস্থায় ফলাফল ঘোষণা ও শপথের সুযোগ চেয়ে আবেদন করেন আসলাম চৌধুরী।

জামায়াত প্রার্থীর আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আবেদনে সারোয়ার আলমগীর ও আসলাম চৌধুরীর ফলাফল প্রকাশ ও শপথের সুযোগ চেয়েছেন। সেটি নথিভুক্ত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আপিল শুনানির জন্য ৯ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।