নেত্রকোণা সদর এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এর একটি দল রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

ময়মনসিংহ র‍্যাবের সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তথ্য প্রযুক্তি ও গোযেন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে গৌরীপুর থেকে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রিপন মিয়ার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ৮ জনকে আসামি করে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান রিপন মিয়া।

নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, ধর্ষণের ঘটনায় সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিস বসে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এলাকাছাড়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এই সালিসের বেশ কিছু ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নেত্রকোণা মডেল থানার (তদন্ত) পরিদর্শক মিহির রঞ্জন দেব জানান, রিপন মিয়াকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করেছে র‍্যাব। সেখান থেকে নেত্রকোণায় আনা হচ্ছে তাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, গত ১ আগস্ট সন্ধ্যার দিকে বাড়ির উঠানে রান্না করার সময় রিপন জোর করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার সময় তার বাবা ও মা দুজনই বাড়ির বাইরে কাজে ছিলেন। মেয়েটির চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে গেলে পালিয়ে যায় রিপন।