জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, সামাজিক সুরক্ষা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ কোটি টাকার একটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে। এনইসি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নতুন সরকারের অধীনে প্রথম এনইসি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
বৈঠকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রণয়নাধীন একটি কৌশলগত আর্থিক পরিকল্পনা কাঠামোর নীতিগত অনুমোদনও দেওয়া হয়, যা সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)-এর অধীনে একটি উপদেষ্টা কমিটি প্রস্তুত করছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত এডিপির আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা, যার মধ্যে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা সরকারি তহবিল থেকে এবং ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে। এডিপির আকার চলতি অর্থবছরের তুলনায় বেশি, যা সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও বাস্তবায়ন সক্ষমতার উন্নতি নির্দেশ করে।
নতুন এডিপিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১ হাজার ২৭৭টি নতুন প্রকল্পের সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) ৮০টি প্রকল্প এবং বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ১৪৮টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, কর্মসূচিটি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগে জোরালো গুরুত্বের প্রতিফলন।
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন ব্যয় বাস্তবায়নের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় উন্নত সক্ষমতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ১৫টি খাতের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে। এছাড়া দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির জন্য ১৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকা প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্পে নতুন ব্যয় সীমিত করার কথা বলা হয়েছে, যাতে উন্নয়ন ব্যয় আরো কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক হয়।
সংশোধিত এডিপির তুলনায় নতুন এডিপির আকার ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় সম্পদ থেকে বরাদ্দ ৪৮.৪৪ শতাংশ এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৫২.৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন এডিপিতে দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পর্যটন, নীল অর্থনীতি, সবুজ প্রবৃদ্ধি এবং খাতভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলেন, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনের স্ব-অর্থায়িত প্রকল্পগুলো অন্তর্ভুক্ত করলে মোট এডিপির আকার দাঁড়াবে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৩ দশমিক ৯৩ কোটি টাকা সরকারি ও নিজস্ব উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১০ হাজার দশমিক ৯০ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে। কর্মসূচিতে ৯৭১টি বিনিয়োগ ও জরিপ প্রকল্পে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯১৪ দশমিক ৬৩ কোটি টাকা এবং ১০৭টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পে ২ হাজার ৭৯৬ দশমিক ২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
এছাড়া ‘বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা’ ব্লক বরাদ্দ হিসেবে ৩৮ হাজার ২৭ দশমিক ৪৯ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে এবং সামাজিক উন্নয়ন সহায়তার জন্য আরো ১৭ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। নতুন এডিপিতে খাতভিত্তিক বরাদ্দের মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ৯২ দশমিক ৫৩ কোটি টাকা বা মোট এডিপির ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ পেয়েছে। শিক্ষাখাত পেয়েছে ৪৭ হাজার ৫৯১ দশমিক ১২ কোটি টাকা বা ১৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ; স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ৩৫ হাজার ৫৩৫ দশমিক ৫০ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ১১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ হয়েছে ৩২ হাজার ৬৯১ দশমিক ৫৪ কোটি টাকা বা ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ; গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধা খাতে বরাদ্দ ২০ হাজার ৩৬১ দশমিক ৭২ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এই পাঁচ খাতই মোট ক্ষেত্রভিত্তিক বরাদ্দের ৬২ শতাংশের বেশি।
মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ সর্বোচ্চ ৩৩ হাজার ৭৩৫ দশমিক ১০ কোটি টাকা বা ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৩০ হাজার ৭৪১ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা বা ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ; স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ২৬ হাজার ৮০৬ দশমিক ২৬ কোটি টাকা। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ২০ হাজার ৮৩৫ দশমিক ৪৪ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৯ হাজার ৪৪০ দশমিক ৫৯ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ পেয়েছে ১৪ হাজার ৯৩৮ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১৭ হাজার ৪০৩ দশমিক ৭৪ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ ৮ হাজার ২২০ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ৮ হাজার ২০৬ দশমিক ৫৩ কোটি টাকা এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ও উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ পেয়েছে।
নারী এমপিদের নির্দেশনা
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট কোনো এলাকা না থাকায় কোন এলাকায় কীভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীতে কাজ করার কথা বলেছেন।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারদলীয় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যদের সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মূলত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ধন্যবাদ জানানোর উদ্দেশ্যেই এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এ সময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব, কাজের পরিধি এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন।
সেলিমা রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের নির্দিষ্ট কোনো এলাকা না থাকায় কোন এলাকায় কীভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীতে তারা কাজ করবেন। এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, একজন রাজনৈতিক নেত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করাই প্রধান দায়িত্ব। একইসঙ্গে দেশ ও দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান তুলে ধরে সেলিমা রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী নারী ক্ষমতায়নে অত্যন্ত আন্তরিক এবং এক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে নারী সংসদ সদস্যরা সহযোগী হিসেবে কাজ করবেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যে পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে কাজ করছে, বৈষম্য দূরীকরণে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেখানে নারী এমপিরাও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, বিলকিস ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, শাম্মী আক্তার, আরিফা সুলতানা রুমা, নাদিয়া পাঠান পাপন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, শওকত আরা আক্তার উর্মিসহ বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা।
ভূমি মেলা উদ্বোধন আজ
সারাদেশে প্রতিটি উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে তিন দিনব্যাপী ভূমি মেলা শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ভূমি ভবন থেকে মেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভূমিসেবা মেলা উপলক্ষে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। ভূমিসেবা মেলা শেষ হবে বৃহস্পতিবার।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, মেলার মাধ্যমে জনগণকে ভূমিসেবা সম্পর্কে সচেতন করা এবং সেবা সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অতীতে ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা ছিল। বর্তমান সরকার সেই অবস্থা বদলাতে চায়। এ বছর ভূমিসেবা মেলার প্রতিপাদ্য বিষয়- ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ।
প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে নিরাপত্তা-সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবিরের সই করা প্রজ্ঞাপনে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ‘নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকল্পে জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে। কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী, সহ-সভাপতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেনÑ মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ মহাপরিদর্শক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদফতরের (এনএসআই) মহাপরিচালক, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেলের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক, র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ অব পুলিশের (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক।
সহায়তাদানকারী কর্মকর্তারা হলেনÑ ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (সিআইডি) অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিটের (এসএসইউ) অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ও বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তা, তবে তিনি কমিটি কর্তৃক আহ্বান করা হলে যোগদান করবেন এবং কমিটির চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবেন। সহায়তাকারী আরও সদস্য হলেনÑ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। কমিটির কার্যপরিধির বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়Ñ এটি নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি, ক্ষেত্র ও পরিধি নির্ধারণ করবে।