বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ (৫ জুন)। পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ আজ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে।
এ বছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’।
বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে বর্তমানে দিবসটি উদযাপিত হয়, যা পরিবেশ বিষয়ে জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
১৯৭২ সালের ৫ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ১৯৭৩ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন আজ বৈশ্বিক বাস্তবতা। এর বিরূপ প্রভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা দেশের জনজীবন, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
বানীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষিকে টেকসই, আধুনিক ও জলবায়ু-সহিষ্ণু ভিত্তিতে পুনর্গঠনের জন্য সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও দূরদর্শী নীতি কাঠামো অনুসরণ করছে।’