কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পশুর চামড়া সংগ্রহের নতুন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার; তাতে গরুর চামড়ার দাম গতবারের চেয়ে ২ টাকা বেড়েছে, খাসির চামড়ার দাম বেড়েছে ৩ টাকা। এবার ঢাকায় ট্যানারি ব্যবসায়ীরা লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া কিনবেন ৬২-৬৭ টাকা দরে, যা আগের বছর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।
২০২৫ সালে প্রতিফুট গরুর চামড়ার দর বাড়ানো হয়েছিল ৫ টাকা, বকরি ও খাসির বেলায় বেড়েছিল ২ টাকা।
ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম হবে এবার ৫৭- ৬২ টাকা। আগের বছর ছিল ৫৫ টাকা ৬০ টাকা।
বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ সভা শেষে সাংবাদিকদের সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এবার প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত খাসির চামড়ার দর ঠিক করা হয় ২৫ থেকে ৩০ টাকা; বকরির চামড়া ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
ঢাকা ও সারা দেশে একই দর থাকবে। আগের বছর লবণযুক্ত খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৭ টাকা ও বকরির চামড়া ২০ থেকে ২২ টাকা ছিল।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চামড়া সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন সক্রিয় থাকবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টিম সারা দেশে সক্রিয় থাকবে। এবার কমবেশি এক কোটি পশু কোরবানি হবে। আমরা চাই, স্থানীয় শিল্প সব চামড়া সংরক্ষণ করবে।
মন্ত্রী বলেন, যদি প্রতীয়মান হয় যে, কাঁচা চামড়া রপ্তানির সুযোগ দেওয়া দরকার, কোরবানির ঈদের পর আমরা তা দেখব। আমরা কাঁচা চামড়া রপ্তানির সুযোগ দিব। এই মুহূর্তে আমরা প্রয়োজন দেখছি না। সেটি কখন হবে, তা এই মুহূর্তে বলছি না। চামড়া নষ্ট যেন না হয়, সেজন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। সারাদেশের ইমাম সাহেবরা যেনো মুসল্লিদের সচেতন করেন।
কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে সরকার ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ বিনামূল্যে দেবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।