হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আংশিকভাবে হলেও বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিমানমন্ত্রী।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে থার্ড টার্মিনাল চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট জাপানি প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে জোরালোভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। প্রথমে আংশিকভাবে টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে পুরো টার্মিনাল চালু করা হবে।
তিনি বলেন, আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে থার্ড টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পর এর দায়িত্ব বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, থার্ড টার্মিনালের পুরো কার্যক্রম চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি উড়োজাহাজ হ্যান্ডেল করা সম্ভব হবে। এতে দেশের প্রধান বিমানবন্দরের যাত্রী ও উড়োজাহাজ পরিচালনার সক্ষমতা বাড়বে।
থার্ড টার্মিনাল থেকে অর্জিত আয়ের অংশীদারত্ব নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, টার্মিনাল পরিচালনা থেকে আয়ে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশ করা হয়েছে।
যাত্রীসেবা সহজ করতে দ্রুত লাগেজ সরবরাহের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের বিমান থেকে নামার পর ১৫ মিনিটের মধ্যে লাগেজ বুঝিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের প্রসঙ্গে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, নাম পরিবর্তনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হতে পারে। জনগণের অর্থ অতিরিক্ত খরচ করে সরকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করতে চায় না।