ব্রিটিশভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে ‘মাঠ পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড’ কার্যকর করার সময় ১৬২ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। লাতাকিয়া অঞ্চলটি দেশটির ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ পরিবারের শক্ত ঘাঁটি। খবর-বিবিসি

তবে বিবিসি জানিয়েছে, একটি যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ গোষ্ঠীর মতে, সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী দেশটির উপকূলীয় প্রদেশ লাতাকিয়ায় আলাউইত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠির ১৬২ জনকে ‘হত্যা’ করেছে। তারা এ দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি যে, সিরিয়ার নতুন শাসকদের নিরাপত্তা বাহিনী এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এর আগে, বিবিসি দুটি ভিডিও যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছে যে, লাতাকিয়ায় একটি গাড়ির পেছনে একটি মৃতদেহ টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওই শহরের একজন সিরিয়ান কর্মী বিবিসিকে বলেছেন, সহিংসতায় আলাউইট সম্প্রদায় ‘ভয়ঙ্কর অবস্থায় পড়েছে।’

সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৩ জন নারী ও পাঁচজন শিশু রয়েছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা সানাকে জানিয়েছে, লাতাকিয়ায় বেশ কয়েকটি সহিংস ঘটনা ঘটেছে। বিদ্রোহীদের সহিংসতা বন্ধ করা হবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে বাশার আল আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা সিরিয়ার নতুন শাসকরা বলেছেন, তারা আসাদের নিজ শহর কারদাহায় সামরিক অভিযান শুরু করা হবে।

সিরিয়ায় সহিংসতা শুরু হওয়ার পর প্রথম বিবৃতিতে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত আসাদ সরকারের অবশিষ্ট অনুসারীদের অনুসরণ এবং তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

সরকারি বাহিনী ও আসাদের অনুগত যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর যেখানে ৭০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে। হোমস, লাতাকিয়া ও তারতুস শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। লাতাকিয়ার গভর্নর জানিয়েছেন, প্রদেশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।