* মার্কিন অবরোধ ভেঙে দক্ষিণের বন্দরে ইরানি জাহাজ
* ইসরাইলি সেনাবাহিনী পৃথিবীর নিকৃষ্টতম
* সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ^বাজারে কমেছে তেলের দাম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিথ্যা বলছে এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এক শীর্ষ কমান্ডার। বিপ্লবী গার্ড বাহিনী লড়াই চালিয়ে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে হতাশা এবং ক্লান্তির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এদিকে যদি কোনো সমঝোতা না হয় তবে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এছাড়া ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একটি ইরানি তেল বহনকারী জাহাজ মার্কিন অবরোধ ভেঙে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরে প্রবেশ করেছে। ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেনাবাহিনী বলে বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ। রয়টার্স, এএফপি, মিডল ইস্ট মনিটর, মিডল ইস্ট আই, গালফ নিউজ, আল-জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান ফারস।
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিথ্যা বলছেন এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এক শীর্ষ কমান্ডার। বিপ্লবী গার্ড বাহিনী লড়াই চালিয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে হতাশা এবং ক্লান্তির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ ইরানি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক সদরদপ্তরের শীর্ষ কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে ওই মন্তব্য করেছেন। ফারস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফারসি ভাষায় দেওয়া বিবৃতিতে মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি বলেন, ‘‘আইআরজিসি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে হতাশা ও ক্লান্তির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে; যা তাদের মরিয়া হয়ে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করতে বাধ্য করেছে।’’ তিনি বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী ‘‘মিথ্যাবাদী ও বিভ্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টকে’’ মাঠের পরিস্থিতি নিয়ে ‘‘মিথ্যা আখ্যান তৈরি করতে’’ দেবে না; বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির বিষয়ে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী ‘পৃথিবীর নিকৃষ্টতম’ : জাতিসংঘের বিশেষ দূত
ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেনাবাহিনী বলে বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ। তিনি বলেছেন, তাদের কর্মকা- সব সীমারেখা অতিক্রম ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। ইসরায়েলি সৈন্যরা এক ফিলিস্তিনি শিশুর ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছে, এমন একটি ভিডিও দেখার পর আলবানিজ এ প্রতিক্রিয়া জানান।
আলবানিজ তাঁর অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘আমি যথেষ্ট দেখেছি, তাই সম্পূর্ণ নিশ্চিতভাবে বলছি, ইসরাইলি সেনাবাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেনাবাহিনী।’ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জাতিগত নিধন’ চালানোর আভিযোগ এনে এক আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর থেকে আলবানিজের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে উসকানিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি এমনকি সরাসরি প্রাণনাশের হুমকিও পেয়েছেন। দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের এ বিশেষ দূত বলেন, তাঁর জীবন হুমকির মুখে রয়েছে এবং তিনি সবসময়ই বিপদের মধ্যে বাস করছেন। আলবানিজ আরও বলেন, প্রতিবেদনটি প্রকাশ করার পর থেকে তিনি যে চাপ ও হুমকির মুখোমুখি হচ্ছেন, তাতে তাঁর পরিস্থিতি এখন ‘রোলার কোস্টার রাইডের’ মতো হয়ে উঠেছে।
চুক্তি না হলে হামলার জন্য ‘পুরোদমে প্রস্তুত’ মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প
যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তবে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির এই সময়কালকে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সমাবেশ ঘটিয়েছে। নির্দেশ পাওয়ামাত্রই তারা হামলা চালাতে সক্ষম।
সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদসহ সব ধরনের সরঞ্জাম রয়েছে... আমরা এই সময়টাকে রসদ মজুতের কাজে ব্যবহার করেছি। সম্ভবত তারাও (ইরান) কিছুটা প্রস্তুতি নিয়েছে।’
মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত। সামরিক বাহিনী (অভিযান শুরুর জন্য) মুখিয়ে আছে।’
মার্কিন অবরোধ ভেঙে দক্ষিণের বন্দরে ইরানি জাহাজ
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একটি ইরানি তেল বহনকারী জাহাজ মার্কিন অবরোধ ভেঙে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বন্দরে প্রবেশ করেছে।
সেনবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সন্ত্রাসী সেনাদের বারংবার সতর্কবার্তা ও হুমকির পরেও, ইরানের সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সহায়তায় তেল বহনকারী জাহাজ সিলিকা সিটি আরব সাগর থেকে রাতে ইরানের পানিসীমায় প্রবেশ করেছে এবং কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণের একটি বন্দরে নোঙর করেছে।
জব্দ করা জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে ফেরত
দিতে বলল ইরান, নইলে পাল্টা ব্যবস্থা
ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর আরোহীদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং ‘ক্রিমিনাল’ বা অপরাধমূলক কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছে দেশটি।
গতকাল মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জাহাজটিসহ এর নাবিক, ক্রু ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পদক্ষেপ। ইরান তার জাতীয় স্বার্থ ও নাগরিকদের রক্ষায় প্রয়োজনে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। এর আগে গত রোববার ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌ-অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইরানি পতাকাবাহী ওই জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং তা জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রকাশিত সামরিক ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার জাহাজটিকে লক্ষ্যবস্তু করছে এবং পরে হেলিকপ্টার থেকে মেরিন সেনারা দড়ি বেয়ে জাহাজে নামছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ‘জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় ইরান তার পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করবে। এ ঘটনার ফলে পরিস্থিতির যেকোনো অবনতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।’
সিএনএনসহ মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর চটলেন ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের ধরনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনসহ বেশ কিছু সংবাদপত্রের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, গণমাধ্যমগুলো মার্কিন বাহিনীর সামরিক সাফল্য তুলে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে চালানো ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ ছিল একটি চরম ও পূর্ণাঙ্গ ধ্বংসযজ্ঞ। অর্থাৎ, এই অভিযানে ইরানকে পুরোপুরি তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও ওয়াশিংটন পোস্টের মতো প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ট্রাম্প বলেন, তারা এ সংঘাতকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘ক্ষতি’ বা ‘পরাজয়’ হিসেবে চিত্রায়িত করছে।
ট্রাম্প আরও লেখেন, ‘শত্রুপক্ষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। কারণ, তারাও এই একই ধরনের সংবাদ দেখছে।’ গণমাধ্যমের এমন প্রতিবেদন মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘অবমাননাকর’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যুদ্ধে নতুন ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত ইরান: বাঘের গালিবাফ হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যেতে রাজি নয় ইরান; বরং যদি আবার যুদ্ধ শুরু হয়, তবে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইরান নতুন নতুন কৌশল দেখাতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ।
গতকাল মঙ্গলবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন নতুন কার্ড দেখাতে প্রস্তুত।’
ট্রাম্প নিজের কল্পনায় আলোচনার টেবিলকে আত্মসমর্পণের টেবিল বানাতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন গালিবাফ। তিনি লেখেন, ‘তিনি নতুন করে যুদ্ধ উসকে দেওয়ার যৌক্তিকতা তৈরি করতে চাইছেন।’ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গত ১১ এপ্রিল প্রথম দফা শান্তি আলোচনায় গালিবাফ ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। আগামীকাল সেখানে দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য আলোচনাতেও নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স গতকাল মঙ্গলবার আলোচনার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সফর করতে পারেন। ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, বুধবার শেষ হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। এছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা চলমান রয়েছে। রোববার ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জন্য দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার
খবরে বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। একই সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার এশিয়ার শেয়ারবাজারে কিছুটা চাঞ্চল্য ফিরেছে। চলতি সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। এর আগে গত সোমবার আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। তবে আজ বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৪ সেন্ট বা ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৯৪ দশমিক ৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) মে মাসের দর ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ১১ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৮৮ দশমিক ৫০ ডলারে নেমেছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী এ সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে মন্দার দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে আলোচনার নতুন সম্ভাবনা সেই আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমিয়ে আনছে।