রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতের ঢুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) দুই নেতাসহ সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং জড়িত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। এদিকে আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান জামায়াত ও শিবিরের নেতৃবন্দ।

জানা গেছে, শাহবাগ থানার ভেতরে ঢুকে ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বর্বরোচিত হামলা এবং পাবনা ও কুমিল্লায় ছাত্রশিবিরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি যুবায়ের ও ডাকসুর নারী নেত্রী জুমার ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনভিপ্রেত। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত জনপ্রিয় প্রতিনিধিদের ওপর এই ন্যক্কারজনক হামলা গণতান্ত্রিক সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নামে একটি ভুয়া আইডি থেকে গুজব ছড়ানো হয়। তিনি তা অস্বীকার করে নিজের পেজে পোস্ট দেওয়ার পরও তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার জন্য তিনি শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে জিডি গ্রহণ না করে তাকে আটকিয়ে রাখা হয়। খবর পেয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য এবি যুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী থানায় আসলে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের মারাত্মকভাবে আহত করে।

তিনি পুলিশের ভূমিকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের যেখানে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, সেখানে পুলিশ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। জালিম শাসকগোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে পুলিশের এ ভূমিকা অতীতের ফ্যাসিবাদী আচরণের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। পুলিশের এই ন্যক্কারজনক ভূমিকায় দেশবাসী খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবিরের শান্তিপূর্ণ মিছিলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করে। এছাড়া ২৩ এপ্রিল রাতে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রশিবিরের ওপর হামলা চালিয়ে অন্তত ২০ জন নেতাকর্মীকে আহত করা হয়। এসব ঘটনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, পরিকল্পিতভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ পাবনার ঈশ্বরদী এবং কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর এমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষাঙ্গণে সকল ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সমুন্নত রাখা অত্যন্ত জরুরি। ছাত্রদের জানমালের নিরাপত্তা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে দেশের সচেতন ছাত্রসমাজ ও প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে। কিন্তু আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ছাত্রদল শিষ্টাচার লঙ্ঘন করে সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শাহবাগ থানার ভেতরে ঢুকে ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

যা বলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা: রাজধানীর শাহবাগ থানার প্রাঙ্গণে ওসির কক্ষের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) দুই নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তেজনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার পরপরই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ডাকসুর নেতারা থানায় প্রবেশ করেন। ওই সময় ছাত্রদলের একটি মিছিল থানা থেকে বের হচ্ছিল। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই জুবায়ের ও মোসাদ্দেকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার সময় ঢাবি ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন উপস্থিত ছিলেন। হামলা চলে প্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিট। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী থানা প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শুক্রবার বিকেলে শিপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি ডাকসুর একটি মিটিংয়ে আছেন, পরে কল করবেন। তবে পরবর্তীতে তাকে আর পাওয়া যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে শাহবাগ থানায় আটক রাখা হয়—এ খবর পেয়ে ডাকসুর প্রায় ১২ জন নেতা থানার দিকে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ছাত্রদলের একটি বড় মিছিল তখন থানা থেকে বের হচ্ছিল। সেই সময়ই ডাকসুর নেতারা গেটের উত্তর পাশ দিয়ে থানার ভেতরে প্রবেশ করেন। এই দলে ছিলেন-এবি জুবায়ের, সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক জুমা, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ভিপি জায়েদ, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের এজিএস আবদুল মজিদ, ভিপি সাদিক শিকদার, সূর্য সেন হলের ভিপি আজিজুল হক, জিএস মোখলেছুর রহমান জাবির এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফ জাওয়াদ সামী। সূর্য সেন হলের জিএস মোখলেছুর রহমান জাবির বলেন, এটি পরিকল্পিত হামলা বলে মনে হয়েছে। কারণ শিপনের নেতৃত্বে মিছিল বের হয়ে আবার ফিরে এসে জুবায়ের ও মুছাদ্দেককে টার্গেট করে হামলা চালানো হয়। এতে অংশ নেওয়া সবাই ছাত্রদলের কর্মী ও নেতা। পরে শিপন ও অন্য নেতারা এসে ক্ষমা চান। কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা বলেন, আমরা থানার গেটে ঢোকার সময় ছাত্রদলের মিছিল বের হচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর মিছিলটি আবার ফিরে এসে ‘জুবায়ের ও মুছাদ্দেককে ধর’ বলে হামলা চালায়। আমরা ভয়ে ওসির রুমে ঢুকে যাই। আমাদের সামনেই মারধর চলছিল। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের এজিএস আবদুল মজিদ বলেন, কোনো উস্কানি ছাড়াই হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের উদ্ধার করতে গিয়ে অন্যরাও হামলার শিকার হয়েছেন। কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পরে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে আরও একজনকে থানায় এনে মারধর করা হয়। এতে মোট আটজন আহত হন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। মুসাদ্দিক ও জুবায়েরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মুছাদ্দেক গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতিসহ সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে। সংগঠন দু’টির নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ হামলার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান। গতকাল শুক্রবার বিএফইউজে সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী ও ডিইউজে সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ঢাবি সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সদস্যদের ওপর গত দু’দিনে যে ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা কিছুই নয়। সাংবাদিক সমাজ বিগত ১৭ বছর মুক্ত স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য যে আন্দোলন সংগ্রাম করছে তার ঘা শুকাতে না শুকাতে সাংবাদিকদের ওপর এধরনের হামলা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ, ছাত্র জনতার পাশাপাশি বহু সাংবাদিকের প্রাণের বিনিময়ে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে এসেছে। কাজেই স্বাধীন সাংবাদিকতা বিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না। আমরা বিশ্বাস করি, বহু মতপথের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকে রাখার জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যম অপরিহার্য। যারা এ সত্য উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হবে তারাই স্বাধীন সাংবাদিকতা বিরোধী এবং গণতন্ত্রের দুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে। বিএফইউজে ও ডিইউজে’র পক্ষ থেকে অবিলম্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। অন্যথায় অতীতের মতো সাংবাদিক সমাজ আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।

ছাত্রশক্তি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। একই সঙ্গে সংগঠনটি সাংবাদিক সমিতির ঘোষিত তিন দফা দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে। গতকাল শুক্রবার ঢাবি ছাত্রশক্তির দফতর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার ভেতরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে “ন্যক্কারজনক” আখ্যা দিয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি জানিয়েছে, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। সংগঠনটি দাবি করে, একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানার ভেতরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকরা হামলার শিকার হন। এতে সংগঠনের সভাপতি মানজুর হোসেন মাহি ও সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলামসহ অন্তত ১০ জন সাংবাদিক আহত হন। আহতদের মধ্যে আরও রয়েছেন নাইমুর রহমান ইমন, খালিদ হাসান, সামশুদ্দৌজা নবাব, মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত, হারুন ইসলাম, সৌরভ ইসলাম ও আসাদুজ্জামান খান।

ছাত্রদল সম্পাদকের দুঃখ প্রকাশ: রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। গতকাল শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। নাছির তার পোস্টে উল্লেখ করেন, একটি কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন শাহবাগ এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রকাশ্য ও গোপন শিবিরের নেতাকর্মীদের সৃষ্ট মব এবং ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কয়েকজন সদস্য আহত হন বলে তারা জানতে পেরেছেন। ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রদল সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিক যেন পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হয়রানি বা সহিংসতার শিকার না হন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন ছাত্রদলের এই নেতা।