নান্দাইল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল চৌরাস্তায় তাড়াইল-নান্দাইল মোড়ে একটু বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় পাকা রাস্তা। এতে যানবাহন চলাচলের দুর্ভোগের পাশাপাশি যাত্রী সাধারণকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানাগেছে, নান্দাইল চৌরাস্তাটি একটি ব্যস্ততম জায়গা। যেখানে প্রতিদিন শত শত দূরপাল্লার গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। কিন্তু ওই চৌরাস্তার তাড়াইল-নান্দাইল সড়কে একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার ফলে যানবাহন চালকসহ জনগণকে এ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে নান্দাইল চৌরাস্তায় সিসি ঢালাই দিয়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, তাড়াইল-নান্দাইল সড়কে পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নাই। তাই বৃষ্টির পানি আটকে রাস্তায় ২ ফুট পর্যন্ত পানি জমে আছে। এতে করে অটোরিক্সা, সিএনজি ও ট্রাক-বাস অতি কষ্ট করে চলাচল করতে হচ্ছে। এমনকি রাস্তায় থাকা গর্তে পড়ে আটকে যাচ্ছে যানবাহন। তখন রাস্তা ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কিশোরগঞ্জ এর তত্ত্বাবধানে চলছে রাস্তার উন্নয়ন কাজ। কিন্তু চৌরাস্তার তাড়াইল মোড়ে কোন পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেয় নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাস্তার দুপাশে মালিকানাধীন জায়গায় উচু করে দোকান পাট নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তায় নিচু হওয়ায় দোকানপাটসহ মালিকানাধীন জায়গার বৃষ্টির পানি এসে রাস্তায় জমে থাকে। এ বিষয়ে যানবাহন চালক রফিক ও হেলাল মিয়া জানান, রাস্তা উচু করা হচ্ছে। কিন্তু এ জায়গায় পানি আটকে যাতায়াতের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে রাস্তা নষ্ট হয়ে যাবে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, আমি বিষয়টি দেখছি। সেখানে লোক পাঠিয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছি।

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা : মানিকগঞ্জ পৌর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তেমন চোখে পড়ে না জলাবদ্ধতা। তবে ভোগান্তির নাম বাসস্ট্যান্ড থেকে জয়রা, উকুরিয়া, বাইচাইল, গড়পাড়া যাওয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা নিজামউদ্দিন সড়ক। এ সড়কের আধা থেকে এক কিলোমিটার অংশ সামান্য বৃষ্টিতেই জমে যায় হাঁটুপানি। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এলাকাবাসীকে।

রোববার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বৃষ্টি হয়ে গেলেও মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে বীর মুক্তিযোদ্বা নিজামউদ্দিন সড়কে এখনো জলাবদ্ধতা।

পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা চন্দন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাস্তাটিতে বছরের প্রায় সময়ই জলাবদ্ধতা থাকে। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারি না। সারা বছর পানির জন্য আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।’রিকশাচালক মোবারক হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এই রাস্তায় প্রায় সময় পানি জমে থাকে। পানির মধ্যে রিকশা চালালে মোটরের ক্ষতি হয়। পাওয়ারের ক্ষতি হয়। গাড়ি নষ্ট ময়মনসিংহ হয়ে যায়। রিং জং ধরে সব নষ্ট হয়ে যায়।’ এ বিষয়ে জানতে মানিকগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক সানজিদা জিয়াসমিনের ফোনে একাধিকবার কল করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।