সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা : স্ত্রীকে ফিরে পেতে ও ব্যবসায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত কামাল হোসেন। সোমবার সন্ধ্যায় সোনাইমুড়ী প্রেসক্লাবে উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের সাতঘরিয়া গ্রামের কামাল হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি ২০১১ সালে চাটখিল উপজেলার নাহারখিল গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির আবুল বাশারের মেয়ে রুমানা আক্তার হিমুকে বিবাহ করি। পরবর্তীতে হিমুর বাবা ডিবি পুলিশ দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করিয়ে অপহরণ ও চাঁদা দাবি মামলা দিয়ে ২ বছর জেলে আটকে রাখে। এ সময় কোন ধরনের ডিভোর্স না দিয়ে হিমুকে অন্যত্র বিয়ে দেয়। পাশাপাশি বাশার পাটারী শিপন বাহিনীর লোক দিয়ে কড়িহাটি বাজারে আমার মোটরসাইকেল ওয়ার্কশপ থেকে মোটরসাইকেল ও অন্যান্য মূল্যবান যন্ত্রাংশসহ প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। উল্টো আমার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও অপহরণ মামলা দিয়ে জেল খাটানোসহ নানাবিধ হয়রানি করে। আদালতের রায়ে আমি বেকসুর খালাস পাই। কামাল হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন আবদুল বাসার আওয়ামী লীগের ডোনার ৯ নং নাহার খিল ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি আওয়ামী আমলে ঐ এলাকায় বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের অনেক হয়রানি করেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, আমার স্ত্রীর রুমানা আক্তার হিমুকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ায় আইনি নোটিশ পাঠিয়েছি। যার কারণে বর্তমানে আমার শ্বশুর আবুল বাশার বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

প্রশ্নের জবাবে কামাল হোসেন জানান, তিনি প্রতিকার চেয়ে সোনাইমুড়ী থানায় একটি এজহার দায়ের করেছেন। দুদিন আগে এসআই জাহাঙ্গীর এর নেতৃত্বে পুলিশ সরেজমিন তদন্ত করে এসেছেন।

কামাল হোসেন কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আবুল বাশার আমার জীবন ধ্বংস করেছে, আমাকে পথে বসিয়ে দিয়েছে, আমার ব্যবসা লুট করেছে, আমার বৈধ স্ত্রীকে শরিয়তের বাইরে গিয়ে তালাক না দিয়ে/না নিয়ে তাকে অন্যত্র বিয়ে দিয়েছে। যা কোন আইনেই বৈধ নয়। আমি প্রশাসনের কাছে আবুল বাশারের উপযুক্ত শাস্তি চাই।