পদ্মা ও গড়াই নদীর মোহনায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী প্রেসক্লাবের বার্ষিক নৌকা ভ্রমণ ও বনভোজন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের মাঝে এ আয়োজন সাংবাদিকদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুমারখালী পৌর বাসটার্মিনাল সংলগ্ন কুমারখালী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে প্রেসক্লাবের সভাপতি, মাই টিভি ও দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি লিপু খন্দকার এবং সাধারণ সম্পাদক, এসএ টিভির কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি সোহাগ মাহমুদ খানের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশত সদস্যরা শহরের গড়াই ইকো পার্ক থেকে নৌকাযোগে পদ্মা-গড়াইয়ের মোহনার উদ্দেশে যাত্রা করেন। মনোমুগ্ধকর নৌকাভ্রমণ শেষে নদীর তীরবর্তী মনোরম পরিবেশে বনভোজনের আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক সংগ্রামের উপজেলা প্রতিনিধি মাহমুদ শরীফ, নির্বাহী সদস্য ও এটিএন বাংলার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি খন্দকার তুহিন আহম্মেদ, সহ-সভাপতি ও দৈনিক কালবেলা এবং চ্যানেল এস-এর উপজেলা প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিজয় টিভির কুমারখালী-খোকসা প্রতিনিধি তানভীর লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দৈনিক কুষ্টিয়ার খবরের কুমারখালী প্রতিনিধি নয়ন শেখ, নির্বাহী সম্পাদক পুলক সরকার, সামরুজ্জামান সামুন, শাহিন বিশ্বাস, রফিক হোসেন, দ্যা মিরর অব বাংলাদেশের কুমারখালী প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, জে টিভির কুমারখালী প্রতিনিধি মো. লিটন প্রামাণিক, মাই টিভির ক্যামেরাপারসন রবিন শেখ, এসএ টিভির ক্যামেরাপারসন মাহাবুব হোসেন, সবুজ হোসেন, আসাদুজ্জামান সবুজ, খালিদ হাসান নয়ন, হাসানুজ্জামান রিংকু, মিরর নিউজের ইসরাইল হোসেন, একুশে সংবাদের শাহাদাত হোসেন, সাংবাদিক আহসান হাবীব, আশিকুর রহমান অন্তু ,চিতা বিশ্বাসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মাহমুদ খান বলেন, “কুমারখালী প্রেসক্লাবকে সারা দেশের জন্য একটি মডেল প্রেসক্লাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাই, যেখানে সংবাদ ও সাংবাদিকতার ইতিবাচক পরিচয়ের পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এখন থেকে প্রতি মাসে একদিন বনভোজনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এসব উদ্যোগ সফল করতে সকল সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।”

আয়োজনে অংশ নেওয়া সাংবাদিকরা বলেন, পেশাগত ব্যস্ততার বাইরে এমন আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।