সাতকানিয়া সংবাদদাতা : সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের যুবলীগ ক্যাডার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী আবু রিয়াদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আবু রিয়াদ ও তার সহযোগী শাহাজাহানের নেতৃত্বে আরো ১০/১২ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ এমন কোন অপকর্মে নেই যা তারা করে না। রাত নামলেই বেড়ে যায় তাদের অপকর্ম। চুরি, ছিনতাই। আনাগোনা বাড়ে মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবীদের। তাদের ভয়ে এলাকাবাসী তটস্ত।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসীরা জানায়, রিয়াদ এবং শাহাজাহান দুজনেই মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকাসক্ত। মৌলভীর দোকান হয়ে পশ্চিমে রাস্তাটি নলুয়া আমিলাইশ এবং চরতী ইউনিয়নের খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং হাজার হাজার মানুষের যাতায়তের একমাত্র রাস্তা। এই সডকে হরহামেশাই ছিনতাইয়ের কবলে পড়ছে ঐ রাস্তায় নিয়মিত যাতায়তকারী সাধারন মানুষ। এক সিএনজি চালক অভিযোগ করে বলেন, গত বুধবার রাতে আমি কাজ শেষ করে বাড়ি যাওয়ার পথে আনুমানিক রাত ১১টায় মুকতেয়ার কুম পৌঁছালে রিয়াদ, শাহাজাহান তাদের সাথে ৫/৭ জন অস্ত্রের মুখে আমার সারাদিনের আয় করা প্রায় ২ হাজার টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় এ ঘটনা কাউকে বললে জানে মারার হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে কথা বলতে রিয়াদের ব্যবহৃত ০১৮১৪৪৫৫৪৪৪ ফোন করলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, রিয়াদ এক সময় আওয়ামী লীগ সাংসদ নদভীর সাথে ঘনিষ্ট ছিল পরে ২৪ সালের নির্বাচনে সাতকানিয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি এম এ মোতালেব এমপি হলে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে।এলাকাবাসী একসময় সাতকানিয়া নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিয়াদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে সে গা ঢাকা দেয় এবং ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর কোন এক অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় আবার এলাকায় ফিরে আসে। একজন অভিবাবক অভিযোগ করে বলেন আমার ছেলেটা পড়ালেখায় ভাল ছিল,নলুয়া স্কুল থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল কিন্ত রিয়াদ আর শাহাজাহানের খপ্পরে পড়ে ইয়াবা আসক্ত হয়ে পরীক্ষা দিতে পারেনি।