ছাত্রদল কর্তৃক শিক্ষাঙ্গনে অব্যাহত সন্ত্রাস, শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন এবং মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ছাত্রশিবিরের জনশক্তির ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন

কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনী যেটা আগে ছিল সেটা ছাত্রদলে কীভাবে আসল? এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, এসব আগে ছাত্রলীগ করত। এখন তারা আসছে ছাত্রদলে। ছাত্রদল হচ্ছে এসব বাহিনীর পুনর্বাসন সেন্টার। ছাত্রদল একের পর এক কমিটি দিচ্ছে। আর পুনর্বাসন করছে ছাত্রলীগকে। এ সময় ছাত্রদলের একাধিক ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্র হাতে দেখা গেছে। পাশাপাশি হেলমেট পরিহিত অনেককেই দেখা গেছে হামলায় অংশ নিতে।

এরমধ্যে একজন চট্টগ্রামের কমার্স কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পলাশ। পলাশসহ বেশ কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র হাতে এবং মাথায় হেলমেট পরে হামলায় অংশ নিতে দেখা যায়। আরও একজন নীল শার্ট পরিহিত মির্জা ফারুক। তিনি চট্টগ্রামের ওমরগণি এম. ই. এস. কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব। তার বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে। জানা গেছে, মির্জা ফারুক পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ঘটনার সময় তার হাতে কিরিচ দেখা গেছে। ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এ তথ্য জানান।

এ সময় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, মিডিয়া সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী, প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।