শাহরাস্তি সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য, অঞ্চল দায়িত্বশীল, সাবেক ফেনী জেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেছেন, দ্বীনের বিজয়ের জন্য ওলামায়ে কেরামদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া বিকল্প পথ নেই। তাদেরকে জাতির মিনার হিসেবে দাঁড়াতে হবে। আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য আল্লাহর নবী ও সাহাবায়ে কেরামদের মত পাগলপারা হয়ে কাজ করতে হবে। রাসুলের সাহাবিরা দ্বীন কায়েমের জন্য জান ও মালের ত্যাগ কুরবানিতে কোনো পরোয়া করেননি।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টায় পৌর চিশতীয়া আলিম মাদরাসা অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শাহরাস্তি উপজেলা ও পৌর ওলামা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর এদেশে আলেম ওলামাদের উপর চরম জুলুম নির্যাতন চালানো হয়েছে।ব্রিটিশরাও ১৮৩ বছর ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল, টিকে থাকতে পারেনি। ইসলামী শক্তিকে যতবেশি জুলুম-নির্যাতন করা হয়েছে ইসলাম ততটা শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে।

দ্বীনের দাওয়াত দেওয়ার কারণে অতীতে অনেক নবীদের বিনা অপরাধে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশেও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীসহ অসংখ্য আলেম ওলামাদের দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করার অপরাধে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে। দেশের শতকরা ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে আল্লাহর দ্বীন কায়েম হবেই হবে, ইনশাআল্লাহ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শাহরাস্তি উপজেলার ওলামা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা কাজী মনজুর হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অন্যতম সদস্য,অঞ্চল দায়িত্বশীল,বিশিষ্ট দা’ঈ, সাবেক ফেনী জেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।

বিশেষ বক্তা হিসেবে চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোঃ বিল্লাল হোসেন মিয়াজী বলেন, আলেম-ওলামার মাঝে কোনো ভেদাভেদ থাকা যাবে না।

কওমি আলিয়ার মাঝে যে প্রাচীর রয়েছে তা উঠিয়ে দিতে হবে। ইমাম-খতীব, আলেম-ওলামা, কওমি-আলিয়া সবাই মিলে সর্বসাধারণের মাঝে দ্বীনের দাওয়াত, ঐক্যের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিজয়োত্তর আমাদের এই প্রিয় দেশকে সকল ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত করে দ্বীন কায়েমের সচেষ্ট হতে হবে ।