তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : আগের চেয়ে লোডশেডিং বেড়েছে। চলনবিলের গ্রামাঞ্চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। একদিকে বাড়ছে গরম অন্যদিকে লোডশেডিং হওয়ায় কোন কোন স্থানে ভোগান্তি বেড়েছে। বিশেষ করে শিল্প এলাকাগুলোতে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পমালিকরা। সিরাজগঞ্জ নাটোর ও পাবনার চলনবিলের তাড়াশ চাটমোহর সিংড়া গুরুদাসপুর সলঙ্গা রায়গঞ্জ উল্লাপাড়া প্রচন্ড গরমে অতীষ্ট মানুষেদের একটু স্বস্তির জন্য গাছের নিচে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে। মাঠে দিন মজুরদের অবস্থা আরো ও ভয়াবহ।

জানা গেছে, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত তীব্র গরম অনুভূত হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী এ সময় বিদ্যুতের চাহিদা হবে ১৮ হাজার মেগাওয়াট। লোডশেডিং হতে পারে ৭০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গরম বাড়তে থাকায় সামনের দিনে পরিস্থিতি মোকাবিলা কঠিন হবে। সাড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি চাহিদা হলেই সারা দেশে লোডশেডিং মারাত্মক আকার ধারণ করবে। গরম যত বাড়বে, এসির ব্যবহার তত বাড়বে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে বিদ্যুতের সংকট। এ কারণে সরকার নির্দেশ দিয়েছে, এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না নিতে। লোডশেডিংয়ের মাত্রা ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বেশি হবে

সূত্র বলছে, গরম বাড়লেই বেড়ে যায় বিদ্যুতের চাহিদা। এই চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট ছুঁলেই বাড়ে লোডশেডিং। তরল জ্বালানি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ঘাটতি মেটানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তখন লোডশেডিং বেড়ে যায়। তবে আদানির দুটি কেন্দ্রই সচল হয়েছে, এখন ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করা হচ্ছে। তারপরও দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি মেটাতে খরচে জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো হচ্ছে। কখনো কখনো ৪ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন করা হচ্ছে।