রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চাঁদার দাবিতে ইস্ট উড নামে একটি আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও পিটিয়ে জখমের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা করা হলেও আসামীরা জামিনে এসে গ্রেফতারকৃত আসামীরা সহ অন্যান্য আসামীরা আরো ব্যাপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জীবণনাশের আশংকায় আছেন বলে জানান প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রাণনাশের আশংকা করছেন ভুক্তভোগীরা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ই এপ্রিল সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদার দাবিতে কাঞ্চন পৌরসভার কালাদী এলাকার মৃত. আমির উদ্দিনের ছেলে ও কাঞ্চন পৌর যুবদলের আহবায়ক আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে নলপাথর এলাকার ইনোনেটিভ হোল্ডিং লিমিটের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান “ইস্ট ইউ” প্রকল্পে একদল সন্ত্রাসীরা রাম-দা, ছোরা, লোহার পাইপ সহ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এতে বাঁধা দিলে ও চাঁদাদিতে অস্বীকার করলে প্রকল্পের ইনচার্জ জসিম উদ্দিন (৫০), ফিল্ড অফিসার সুজন (৩০)-কে পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে সন্ত্রাসীরা। এসময় প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত চাঁদা না দিলে তাদের হত্যার হুমকী দেয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। পরে ওই রাতেই ইনোভেটিভ হোল্ডিং লিমিটেডের চিফ অপারেটিং কর্মকর্তা শাহ মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজী, মারামারি ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার আসামীরা হলেন, কাঞ্চন পৌরসভার কালাদীর আমির উদ্দিনের ছেলে ও কাঞ্চন পৌর যুবদলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ (৪৪), কাঞ্চনের তারাজ উদ্দিনের ছেলে রিপন (২৭), চরপাড়ার মৃত. সাহাজউদ্দিনের ছেলে দেওয়ান জাকির (৩০), কালাদী এলাকার মৃত. নুরুল ইসলামের ছেলে রফিজ উদ্দিন (৪৪), নরাবো এলাকার সবুজ (২৮), কালাদী এলাকার মৃত মারফত আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৪৪), একই এলাকার এনামুল হক (৩৫), চরপাড়া এলাকার মৃত. নায়েব আলীর ছেলে হাবিবুর (৪২), কালাদী এলাকার জিয়াউর রহমানকে নামীয় ও ২০-২৫জনকে অঙ্গাত আসামী করে মামলা করা হয়।