পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) সংবাদদাতাঃ পাঁচবিবি উপজেলা কুসুম্বা ইউনিয়নের কুয়াতপুর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পোস্টারে স্থানীয় (কুয়াতপুর পূর্বপাড়া) ইব্রাহিম ও তার ছেলে সজিব কাঁদা ও গবর দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত কর্মী সাকাওয়াত মাস্টার ও আব্দুস সালাম মুন্সি প্রতিবাদ জানান। প্রতিবাদ করায় ইব্রাহিম ও তার ছেলে সজিব স্থানীয় বিএনপি (আব্দুল গফুর গ্রুপ) কিছু লোক-জনকে সঙ্গঠিত করে সাকাওয়াত মাষ্টার ও আব্দুস সালাম মুন্সিসহ স্থানীয় জামায়ত কর্মীদেরকে মারপিট করে।
মারপিটের সময় উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডলের নির্দেশে তার পাড়ার লোকজন লাঠি-সোডা, হাসুয়া নিয়ে পূর্ব পাড়ার জামায়াত কর্মীদের বাড়ি-ঘরে হামলা করে। হামলায় সাকাওয়াত মাষ্টারের বাড়িঘরে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয় এবং জামায়াত-শিবিরের ৯ জন আহত হয়। এর মধ্যে শিবির কর্মী কুয়াতপুর গ্রামের রজব আলীর পুত্র শাহ পরান(২০), মৃত শফীর আলীর পুত্র রজব আলী(৫৭), মৃত মহির উদ্দিনের পুত্র আফজান হোসেন(৫৫)কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থানা পুলিশের সহায়তায় পৌঁচ্ছে দেওয়া হয়।
শাহ পরানের অবস্থা আশংকা জনক হলে তাকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এছাড়াও আহত শিবির কর্মী শাহিন(২৪), গাওছুল(১৯), মুজাহিদ(২৫), জামায়াত কর্মী সিরাজুল ইসলাম (৫০), মোঃ সাকাওয়াত হোসেন(৫০), লাভলী বেগম(৪০) স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে কুসুম্বা ইউনিয়নের জামায়াতের উদ্যোগে স্থানীয় শালাইপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে বাজারের হিলির মোড়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আমীর ডাঃ ফজলুর রহমান সাঈদ, জেলা সেক্রেটারি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওঃ গোলাম কিবরিয়া মন্ডল, উপজেলা আমীর ডাঃ সুজাউল করিম, উপজেলা সেক্রেটারি আবু সুফিয়ান মুক্তার প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন কুসুম্বা ইউনিয়ন জামায়াত আমীর মাওঃ আবু ইউসুফ খলিলুল রহমান। বক্তাগণ জামায়াত কর্মীদের মারপিঠের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডলের সঙ্গে কথা বলার জন্য তার বাড়ি পর্যন্ত গিয়েও দেখা পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।