রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যা মামলার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে হত্যার কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অধিকতর তদন্তের দাবির মধ্যে মামলার তদন্ত সংস্থা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। মামলাটি আরও নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত এবং দ্রুত চার্জশিট দেয়ার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি ডিবি কার্যালয়ে যান। সেখানে মামলার নথি ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নতুন তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক জিন্নাত আলীর কাছে হস্তান্তর করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে পুরোনো ও নতুন তদন্ত কর্মকর্তা একসঙ্গে নগরীর মাছুয়াপাড়ার ঘটনাস্থলে যান। সেখানে আগের তদন্ত কর্মকর্তা নতুন তদন্ত কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলের বিভিন্ন বিষয় এবং এ পর্যন্ত তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়িতে খুন হন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী পৃতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগমী চক্রবর্তী প্রাপ্তি ও ১২ বছরের ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী পিয়ম।
এ ঘটনায় রংপুরসহ দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।