জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ৫ কিলোমিটার ম্যারাথনের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়।
নির্ধারিত রুট অনুযায়ী ম্যারাথনটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদ, মীর মশাররফ হোসেন (এমএমএইচ) হল, ক্যাফেটেরিয়া, ছাত্রী হলসমূহ এবং উপাচার্যের বাসভবনের সামনে দিয়ে চৌরঙ্গী প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। আয়োজক জাকসুর পক্ষ থেকে প্রত্যেক নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীকে ইভেন্ট টি-শার্ট, রানিং কিট, মেডেল ও সার্টিফিকেট এবং ম্যারাথন শেষে সকালের নাশতা প্রদান করা হয়।
ম্যারাথনে জাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কিরণসহ জাকসুর অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ম্যারাথনে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, "আজকের এই দিনে আমি প্রথমেই স্মরণ করতে চাই সাভারে স্নাইপারের গুলিতে শহীদ আলিফ ও শ্রাবণ গাজীকে এবং অন্য সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করছি। জাকসু কর্তৃক আজকের ম্যারাথন আয়োজন সবসময় অব্যাহত থাকুক, জাকসু থাক বা না থাক আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এ রকম আয়োজন করার চেষ্টা করব।"
জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, "‘দ্রোহের আগুনে শানিত প্রাণ ৩৬ জুলাই জাকসু রান’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাকসু ম্যারাথন আয়োজন করেছে। আজকের এই দিনটি আমাদের সবার কাছে একটি স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন, আজকে মূলত এটি একটি প্রতীকী ম্যারাথন ছিল। আজকে এখানে আমাদের আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিল, আমাদের এই আয়োজনে প্রায় ৭৫০ জন রেজিস্ট্রেশন করেছিল। সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আজকের অনুষ্ঠানটি সফল হয়েছে, এজন্য সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।"