২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে শহীদ হন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৭ জন। ৭ জন শহীদ হচ্ছেন— সাংবাদিক হাসান মেহেদী, মো. নবীন তালুকদার, জাহাঙ্গীর হোসেন, আশিকুর রহমান, সাইদুল রহমান ইমরান, হৃদয় হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মাহিন।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি নিয়মিত শহীদ পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিচ্ছেন। তিনি প্রত্যেক শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন। আন্দোলনকালীন সময় থেকেই ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপির ভূমিকা শহীদ ও আহত পরিবারসহ সকলের কাছে প্রশংসনীয়। স্থানীয়দের মতে, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে তাঁদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বাউফলের এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এ ছাড়াও তিনি শহীদদের শাহাদাতের মর্যাদা কামনায় কবর জিয়ারত করেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) শহীদ পরিবারগুলোর সাথে যোগাযোগ করলে তাঁরা বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আমাদের সন্তানেরা রাজপথে নেমেছিল। শহীদদের আকাঙক্ষায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হলে দেশের সন্তান হারানোর ব্যথা কিছুটা হলেও কমবে। শহীদদের আকাঙক্ষায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য গণভোটের গণরায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার করতে শহীদ পরিবারগুলো সরকারের কাছে দাবি জানান।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা মনে করেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে তাঁদের আত্মত্যাগ বাউফলবাসীর জন্য গর্ব, অনুপ্রেরণা ও এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে বাউফলবাসী। প্রতিবছর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে বাউফলে শহীদদের স্মরণে গণমিছিল, কবর জিয়ারত এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।