সোনারগাঁ সংবাদদাতা : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সেলিম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বনবিভাগের কর্মকর্তাদের নীরব ভূমিকায় জনমনে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়নের আলগীরচর গ্রামের রাস্তার দুপাশে প্রায় ২০ বছর আগে সরকার ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে সামাজিক বনায়নের কর্মসূচিতে অনেকগুলো গাছ রোপণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ দিনে গাছগুলো বড় হয়ে রাস্তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা রাখে। কিন্তু গত ১৩-১৪ এপ্রিল এলাকার প্রভাবশালী এক নেতা গাছগুলো কেটে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যে তার নির্দেশে ৩টি বড় বড় গাছ কাটা হয় বলে জানা যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে আলগীরচর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সেলিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি গাছ কাটার বিষয়ে একাধিকবার সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করি কিন্তু কোন সাড়া পাইনি। অবশেষে তাদের পরামর্শে ও আমার বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজনে গাছ কেটে ফেলি। তবে ৩টি গাছ কাটার অভিযোগ মিথ্যা ও বানানো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছু আলগীরচর গ্রামের এক ব্যক্তি বলেন, তারা প্রভাবশালী উচিত কথা বলতে গেলে তাদের সাথে ঝগড়া হবে। এজন্য কেউ তাদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলে না। একে একে সবগুলো গাছ কেটে ফেলার পায়তারা হচ্ছে কিন্তু বনবিভাগ থেকে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। ইতোপূর্বে ১টি গাছ কাটা হয় পরে সেই গাছ কে কি করল কিছুই জানিনা। অথচ এই গাছগুলো টেন্ডার করে অংশীদার জনগন ও সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ার কথা। এ বিষয়ে সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে সোনারগা উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ঘটনায় বন মামলা পক্রিয়াধিন আছে।