ক্স প্রতি কিলোমিটারে বেড়েছে ১১ পয়সা
ক্স ভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটির বেশিরভাগই মালিকপক্ষ
ক্স সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকাই বহাল আছে
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বেড়েছে ১১ পয়সা। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা। এক্ষেত্রে ভাড়া বেড়েছে ৪.৪৫ শতাংশ।
অন্যদিকে দূরপাল্লার পথে বাসভাড়া কিলোমিটারে ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা। এক্ষেত্রে ৫.১৯ শতাংশ বেড়েছে ভাড়া। আর ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) এলাকায় কিলোমিটারপ্রতি বাসভাড়া ২ টাকা ৩২ পয়সা আছে। সেটা ১১ পয়সা বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৪৩ পয়সা, যেটা ৪.৭৪ শতাংশ বেড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এর আগে ২০ মিনিটের মতো পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। বৃহস্পতিবারই নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং নতুন ভাড়া কার্যকর শুরু হয়।
স্থানভেদে বাস ও মিনিবাসের সর্বনি¤œ ভাড়া ৮ ও ১০ টাকাই বহাল আছে বলেও জানিয়েছেন শেখ রবিউল আলম। তিনি আরও জানান, বাস ছাড়াও ডিজেলচালিত ট্রাক এবং অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রে এই ভাড়া প্রযোজ্য হবে।
গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়। এরপরই গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠেন মালিক ও শ্রমিকরা। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে এর আগে ২০২২ সালে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, আমরা এ ভাড়া নির্ধারণ করেছি শুধু ডিজেলচালিত বাসের জন্য। সিএনজিচালিত বাসের ভাড়া এখানে বিবেচনায় আসেনি।
তিনি বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তের ব্যত্যয় যদি বাসমালিকরা করতে চেষ্টা করে, ডেফিনেটলি বাসমালিকদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান এবং শক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিআরটিএর নির্ধারণ করা এবং আমরা আলোচনা করে যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, বাসমালিকরা অঙ্গীকার করেছে তারা এই সিদ্ধান্ত যে কোনো মূল্যে মানবে এবং অনুসরণ করবে। যেহেতু তারা অঙ্গীকার করেছে, এর ব্যত্যয় না হওয়া পর্যন্ত আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন না করার রিকোয়েস্ট করবো।’
রবিউল আলম আরও বলেন, ‘প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে পরিবহন সেক্টরে ভাড়া বাড়ানোর একটা দাবি উত্থাপিত হয়েছে এবং সেটাকে নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা এটাকে সমন্বয় করতে চেয়েছি মাত্র, ভাড়া বৃদ্ধি হিসেবে এটাকে দেখতে চাচ্ছি না।
তিনি বলেন, ‘জনস্বার্থ বিবেচনা করে আমরা সরকার সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়েছি যে পার কিলোমিটার ঢাকা এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ১১ পয়সা বাড়বে। আন্তঃজেলা যেখানে ৫২ সিটের গাড়ি আছে সেখানেও পার কিলোমিটার ১১ পয়সা বাড়বে। আর ডিটিসিএ (ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ) একটা এরিয়া আছে আপনারা জানেন এবং মিনিবাস, সেখানেও পার কিলোমিটার ১১ পয়সা বাড়ানোর বা একটা সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমাদের আগেই একটা ফর্মুলা আছে যে তেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে কতটুকু সমন্বয় হবে ভাড়া, তার একটা ফরম্যাট আছে। তো তাতে যেহেতু ১৫ টাকা বেড়েছে, তো সেখানে পরিবহন মালিক সমিতির দাবি ছিল প্রায় ২৮ পয়সার মতো (বাড়ানো)। তারা সেখানে ডলারের দাম বাড়ার ফলে তাদের যে পার্টসগুলি ইমপোর্ট করতে হয়, বাস ইমপোর্ট করতে হয় সেখানে আগের চেয়ে অনেক বেশি ইনভেস্ট হচ্ছে, ব্যয় বাড়ছে, মেইনটেনেন্স ব্যয় বাড়ছে সেটাও তারা এখানে যুক্ত করতে চেয়েছে।’
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তীতে এসে ক্যাবসহ অন্যদের পরামর্শক্রমে এসে এটা ২২ পয়সাতে এসে ঠেকে। আমরা সর্বশেষ গতকাল এবং আজ দুই দিন সবার সাথে মিটিং করেছি।’
তিনি বলেন, ‘আপনাদের এও জানিয়ে রাখি যে এই সমন্বয়টা শুধু এবার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে না, তেলের দাম পুনরায় কমলে আবার এই একই প্রক্রিয়ায় ভাড়া কমবে। আবার তেলের দাম যদি বাড়ে কোনো কারণে তাহলে একই প্রক্রিয়ায় ভাড়া সমন্বয় হবে। অর্থাৎ এই সমন্বয়টা একটা চলমান প্রক্রিয়া থাকবে। এর জন্য নতুন করে আর মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বিধায় আমরা মনে করেছি।’
বাসমালিকদের অন্যান্য বেশ কিছু দাবি থাকলেও সরকার এই মুহূর্তে তার বিবেচনায় নিচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আশা করছি যতটুকু সমন্বয় করা এখানে হয়েছে সেটা এই পরিস্থিতিতে যেহেতু জ্বালানির দাম বেড়েছে, আমরা এতটুকুই সমন্বয় করতে সক্ষম হলাম। ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি কীভাবে মনিটরিং হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, মনিটরিং আমাদের আগেও আছে। এটা প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।
রেলের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসছে কি না, জানতে চাইলে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘না, রেলের ভাড়ার ব্যাপারে, বাড়ানোর ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা এখনো পর্যন্ত সেটাকে বিবেচনায় নিচ্ছি না। নৌ-এরটাও এখনো পর্যন্ত আমাদের বিবেচনায় আসেনি।
এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, এসি বাসের ভাড়ার ব্যাপারে আমরা আলোচনা চলছে। এটা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্ধারণ করা হবে। এসির ব্যাপারে আপনারা জানেন এসি বাসের ব্যাপারে সেবার মানের মধ্যে তারতম্য আছে, সুযোগ-সুবিধায় তারতম্য আছে। এটা আমরা দুটি বা তিনটি স্ল্যাবে এনে ভাড়া নির্ধারণ করবো এবং অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাবেন।
কমিটিতে মালিকপক্ষ বেশি
বাসভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটির সদস্য ১১ জন। তাদের মধ্যে বিআরটিএর তিনজন এবং সড়ক মন্ত্রণালয়ের একজন, সরকারি সংস্থা ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) একজন, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির (আরপিজিসিএল) একজন।
মালিকপক্ষের রয়েছেন কার্যত চারজন বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জে আর শহীদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম, ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এম এ বাতেন এবং সরকারের পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির উপমহাব্যবস্থাপক শুকদেব ঢালী। যাত্রীদের প্রতিনিধি মাত্র একজন। তিনি হলেন ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি আইনজীবী বাহাদুর সাজেদা আক্তার।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুর রহিম বকস বলেন, বাসের ভাড়া নির্ধারণের সময় অনেক কিছুই লেখা হয়। কিন্তু শ্রমিকেরা তা পায় না। শ্রমিকেরা বাস চালালে টাকা পায়, নইলে নয়। দূরপাল্লার বাসের ভাড়া নির্ধারণেও এমন গায়েবি ব্যয় আছে। ভাড়া নির্ধারণের সময় বলা হয়েছে, বাসগুলো প্রতি ২৫ দিনে এবং ৩ মাসে মেরামত-রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। এর জন্য ব্যয় হবে প্রায় ৬১ হাজার টাকা। ঢাকার বাসগুলোর পেছনে এমন ব্যয় করা হচ্ছে, তেমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
অতীতের ভাড়া নির্ধারণ:
২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম ৪২ শতাংশ বাড়িয়ে ১১৪ টাকা করা হয়েছিল। তখন বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ৪০ পয়সা বা ২২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে সরকার। গত শনিবার ডিজেলের দাম বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১১৫ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০২২ সালের ব্যয় বিশ্লেষণের পর আদলে ডিজেলের দাম লিটারে এক টাকা বেড়েছে। দেশের পণ্য ও যাত্রীবাহী পরিবহনের বেশির ভাগই ডিজেলে চলাচল করে। এর মধ্যে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ পণ্যবাহী যানবাহনের ভাড়া সরকার নির্ধারণ করে দেয় না। শুধু শীতাতপনিয়ন্ত্রিত নয় (নন-এসি), এমন বাস-মিনিবাসের ভাড়া নির্ধারণ করে দেয় বিআরটিএ।
২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম বাড়ানোর ২৫ দিনের মাথায় তা আবার কমিয়েছিল সরকার। প্রতি লিটারের দাম ৫ টাকা কমিয়ে ১০৯ টাকা করা হয় ২৯ আগস্ট। এরপর ১ সেপ্টেম্বর ডিজেলচালিত বাস-মিনিবাসের ভাড়া ৫ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তা মানেননি পরিবহনমালিক-শ্রমিকেরা।
দুই বছর পর ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল প্রতি লিটার ডিজেলের দাম আরও ৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১০৬ টাকা। সেদিন পরিবহনের ভাড়া ৩ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। তার আগে বাসভাড়া ২০১৬ সালে ৩ পয়সা এবং ২০১১ সালেও ২ পয়সা কমানো হয়েছিল। কিন্তু পরিবহনমালিকেরা সেটাও মানেননি।
ভাড়া পুননির্ধারণ কমিটির সদস্য ও ক্যাবের প্রতিনিধি বাহাদুর সাজেদা আক্তার বলেন, মানুষ এমনিতেই কষ্টে আছে। বাড়তি বাসভাড়া তাদের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ভাড়া না বাড়ানোর কথা বলেছিলাম। একান্ত প্রয়োজন হলে শুধু ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি বিবেচনায় নিতে বলেছিলাম।
ঢাকাবাসীকে লোডশেডিং এর খবর দিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী : দেশের কৃষি খাতে সেচ ব্যবস্থা নির্বিঘœ রাখতে এবং শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গ্রামের কৃষক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং তারা যেন পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পায়, সেটি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দিয়ে ঢাকাবাসীকে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জনগণের আস্থা কমে যাওয়ার কারণে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য এলে সেখানে বিশ্বাস অর্জন করতে দেশবাসীর কিছুটা সময় লাগবে। তবে বর্তমান সরকার তাদের শপথের মর্যাদা এবং পবিত্র সংসদের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। বর্তমানে এই বিদ্যুৎ সমস্যা একদিনের নয়, বরং এটি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পুঞ্জীভূত অব্যবস্থাপনার ফল। বর্তমানে কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে সেটির গরমিল রয়েছে।
তিনি জানান, গতকাল দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, যার বিপরীতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে দেশজুড়ে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ফসল কাটার মৌসুম চলায় কৃষকদের সেচ কাজের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের বৈষম্যহীন বাংলাদেশের চেতনা সমুন্নত রাখতে রাজধানী ঢাকাতে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, দেশে প্রতিদিন ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে নিজস্ব উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে সরবরাহ করা যাচ্ছে ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন ১ হাজার ১৬৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থাকছে। পর্যাপ্ত অর্থ থাকলেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার না থাকায় দ্র¤œত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার তালিকায় এই অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
তিনি আরও জানান, একটি আমদানি করা পাওয়ার প্লান্ট এবং একটি কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বর্তমানে বন্ধ থাকায় সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এগুলো পূর্ণ উৎপাদনে ফিরলে আগামী সাত দিনের মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। জনগণের এই সাময়িক কষ্টের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।