ইরান যুদ্ধ নিয়ে টান টান উত্তেজনা একদিকে, অন্য দিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটির পর একটি নাটকীয় ঘোষণা পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্নতর আবহ তৈরি করে। তিনি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে নানা কথাই বলেছেন কয়েকদিন ধরে। পাকিস্তানও এ আলোচনার আয়োজন করতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলোচনা শুরু করা যায়নি। প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল তা হলে কি আবার যুদ্ধ শুরু হবে? বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ছিল এ দিকে নিবদ্ধ।

টান টান উত্তেজনার মধ্যে গত বুধবার ট্রাম্প ঘোষিত ১৪ দিনের যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। অবশেষে জানা যাচ্ছে, যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ বাড়ছে। এটা আপাতত একটি শান্তির বার্তা। কী বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প? ইরান সরকারের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা এবং পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তা মাধ্যমের এটাই খবর। গত বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি ইরানী বন্দরগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবরোধ কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। মূলত একটি ঐক্যবদ্ধ শান্তি প্রস্তাবনা তৈরির সুযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ চালিয়ে লাভবান হতে পারবেন না এমন ধারণা থেকেই হয়তো তিনি মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, বর্তমান ইরান সরকার মারাত্মকভাবে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে পড়েছে, যা আগে থেকেই অনুমেয় ছিল। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন যেন এখনই ইরানে কোনো হামলা চালানো না হয়। পাকিস্তানী নেতৃবৃন্দের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ট্রাম্প ইরানের প্রতিনিধি ও নেতাদের একটি সম্মিলিত প্রস্তাব নিয়ে আসার জন্য সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিবৃতিতে ট্রাম্প আরও স্পষ্ট করেছেন যে, হামলা স্থগিত থাকলেও মার্কিন সামরিক বাহিনী পূর্ণ শক্তি নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি তার বাহিনীকে ইরানী বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের পক্ষ থেকে প্রস্তাব জমা দেওয়া এবং সেই আলোচনার কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার গত কয়েকদিন ধরেই সংঘাত এড়াতে সংলাপ ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়ে আসছিলেন। ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত শান্তি আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণের বিষয়ে যখন অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছিল, ঠিক তখনই ট্রাম্পের এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তজনা নিরসনে নতুন এক কূটনৈতিক মোড় নিয়ে এলো।

বিশ্বের জন্য এটি একটি কঠিন সময়, তাই পাকিস্তান এখন কী করবে ? এ রকম প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল কয়েকদিন ধরে। বিশ্লেষকরা বলেছেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হয়নি। তবে, তারা উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এতো গেল কয়েক দিনের পরিস্থিতির চিত্র।

আরো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে ইরান : যুদ্ধ থেকে ইরান কী পেল সে আলোচনা এখন সামনে। বহু নেতা ও জেনারেল হারানো সত্ত্বেও পরাশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ইরান। বিশ্লেষকরা বলছেন, শান্তি আলোচনা হোক বা না হোক, ইরান এই যুদ্ধ থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। তারা বলছেন, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিণতির মাঝেও ইরান শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। ইরান যুদ্ধের ফলাফল যেভাবেই হোক না কেন, এর প্রভাব দীর্ঘকাল ধরে অনুভূত হবে। এর নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক পরিণতির বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে। এর ফলে ইসরাইল বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

প্রথমত, যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ নিঃসন্দেহে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়বে। জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি এবং তেল সরবরাহ ও জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার সুদূরপ্রসারী বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশকে প্রভাবিত করছে। তেল ও গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে এবং যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারগুলো চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েছে। ইরান যুদ্ধের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিণতি বহুদিন ধরে অনুভূত হবে। কূটনৈতিক পরিণতির কথা বলতে গেলে, এর বহুবিধ মাত্রা রয়েছে, কিন্তু একটি তাৎক্ষণিক পরিণতি হলো ইসরাইলের অভূতপূর্ব বৈশ্বিক বিচ্ছিন্নতা। গাজায় দু’বছরব্যাপী গণহত্যার কারণে আন্তর্জাতিক সমর্থন কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আগ্রাসন দেশটিকে বিশ্বব্যাপী নিন্দা এবং দীর্ঘদিনের ইউরোপীয় মিত্রদের সমর্থন হ্রাসের মুখে ফেলেছে। স্পেন ইসরাইলের সবচেয়ে কঠোর সমালোচক হিসেবে আবির্ভূত হয়ে তেল আবিবের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইতালি ইসরাইলের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করেছে। ফ্রান্স ইসরাইলে অস্ত্র পরিবহনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তার আকাশসীমা ব্যবহারে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এমনকি ইসরাইলের সবচেয়ে বড় ইউরোপীয় সমর্থক জার্মানিও পশ্চিম তীরে ইসরাইলী নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে। হাঙ্গেরিতে ভিক্টর ওরবানের নির্বাচনী পরাজয় ইসরাইলকে তার সবচেয়ে কাছের ইউরোপীয় বন্ধু থেকে বঞ্চিত করেছে। প্রায় সব ইউরোপীয় দেশই অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের কার্যত সংযুক্তিকরণের সমালোচনা করেছে। এদিকে, ইইউ-ইসইয়েল অংশীদারিত্ব চুক্তি স্থগিত করার আহ্বান জানিয়ে একটি নাগরিক উদ্যোগ ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র জুড়ে দশ লক্ষ স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে, যা ইউরোপীয় কমিশন এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের পক্ষ থেকে একটি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে।

যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের প্রতি জনসমর্থন নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। ধারাবাহিক জনমত জরিপগুলো এ মতামতের পরিবর্তনকে নিশ্চিত করছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের সর্বশেষ জরিপে, ৬০ শতাংশ আমেরিকান বলেছেন যে ইসরাইল সম্পর্কে তাদের একটি প্রতিকূল দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যা তিন বছর আগে ছিল ৪০ শতাংশ। তরুণ ভোটারদের মধ্যে ইসরাইল সম্পর্কে বিশেষভাবে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। ট্রাম্পের সমর্থক গোষ্ঠীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলে গেছেন। ইসরাইলের প্রতি জনসমর্থনের ব্যাপক পতন তেল আবিব এবং তার পরাশক্তি সমর্থকের মধ্যকার ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের সুনামের ক্ষতির দিকে ইঙ্গিত করে। ট্রান্সআটলান্টিক জোটের ওপর ইরান যুদ্ধের প্রভাবও তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধ, ইউরোপীয় দেশগুলোকে পরজীবী হিসেবে সমালোচনা এবং ন্যাটোর উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যকার সম্পর্ক ইতিমধ্যেই চাপের মধ্যে ছিল। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার পর এই ফাটল আরও প্রকট হয়ে ওঠে। হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর প্রস্তাবসহ এই সংঘাতে সাহায্যের জন্য ট্রাম্পের অনুরোধ সত্ত্বেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করে। এতে হতাশ হয়ে ট্রাম্প ন্যাটো দেশগুলোর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন, তাদের কাপুরুষ বলেন এবং ন্যাটো ত্যাগ করার হুমকি দেন। ট্রাম্প যখন যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁর ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে কোনো পরামর্শ করা হয়নি এবং তারাও এমন একটি সংঘাতে জড়াতে চায়নি যা তারা সমর্থন করে না এবং যাকে বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় নেতা “অবৈধ” বলে অভিহিত করেছেন।

পরিশেষে, এ অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামো এবং ক্ষমতার গতিপ্রকৃতির উপর এর প্রভাব পড়েছে। এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত সমীকরণ বদলে দিয়েছে। মার্কিন নিরাপত্তা ছাতার উপর আস্থা নড়ে গেছে, কারণ জিসিসি দেশগুলো দেখেছে যে সংকটের সময় ওয়াশিংটন তাদের রক্ষা করতে অক্ষম বা অনিচ্ছুক এবং তাদের স্বার্থের চেয়ে ইসরাইলের নিরাপত্তা স্বার্থই বেশি প্রাধান্য পায়। এটি তাদের একটি একক শক্তির উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা পর্যালোচনা করতে, তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ধারণাগুলো পুনর্মূল্যায়ন করতে, কৌশলগত পুনর্বিন্যাস বিবেচনা করতে, ঝুঁকি কমানোর কৌশল অবলম্বন করতে এবং তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনতে বাধ্য করবে। সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তিটি সৌদি আরবের বৈচিত্র্যায়নের একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করে। যুদ্ধে জিসিসি রাষ্ট্রগুলোর দুর্বলতাগুলো উন্মোচিত হওয়ায়, দীর্ঘমেয়াদে হলেও, নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে এগুলো প্রশমিত করতে তারা উৎসাহিত হবে, বিশেষ করে যেহেতু জিসিসি-র সম্মিলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল না। ‘কোয়াড’-এর সদস্য দেশগুলো পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিশর ভবিষ্যতে তাদের এই অনানুষ্ঠানিক গোষ্ঠীকে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিণত করতে চাইতে পারে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইসরাইলের কালো ইতিহাসটি সামনে চলে এসেছে। জানা যায়, ইসরাইলের প্রভাবে ইরানের সাথে শান্তি আলোচনার প্রথম ধাপটি ব্যর্থ হয়ে যায়। যুদ্ধে ইরানী পাল্টা হামলায় কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি ইসরাইল। তবু নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করা তার স্বভাব। আর এটা তার দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতি ডেকে আনছে। জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ ইসরাইলী সেনাবাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নীতিহীন বাহিনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে এক ফিলিস্তিনি শিশুর ওপর ইসরাইলী সেনাদের বর্বরোচিত নির্যাতনের দৃশ্য দেখার পর তিনি এই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

আলবানিজ তার অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় উল্লেখ করেন, ইসরাইলী সৈন্যদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড মানবিকতার সব সীমা অতিক্রম করেছে এবং তারা পদ্ধতিগতভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে চলেছে। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের সময় ‘জাতিগত নিধন’ চালানো হচ্ছে বলে আলবানিজ ইতিপূর্বে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন।

ইরান যুদ্ধ গাজার দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিলেও সেখানে থেমে নেই ইসরাইলী বর্বরতা। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জানিয়েছে, গত বছরের অক্টোবরে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত উপত্যকাজুড়ে ইসরাইলী হামলায় ৭৮০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনী নিহত হয়েছেন। গাজা উপত্যকাজুড়ে দখলদার ইসরাইলী বাহিনীর নতুন দফার হামলায় গত সোমবারই পাঁচ ফিলিস্তিনী নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া দুই বছরের যুদ্ধ শেষে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। বিশ্লেষকরা বলেন, বলা হয়েছিল যুদ্ধ অবসানের পর গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনা নেয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র সে প্রতিশ্রুতি ভুলে ইরান যুদ্ধে নেমেছে। আর গাজায় ইসরাইলী হামলা বন্ধ হয়নি। আর ইরানেও কার্যত বিজয় অর্জন করতে পারছে না। আর সে কারণেই যুদ্ধ বিরতি চাইছেন ট্রাম্প। আগামী কয়েক দিনে বিষয়টি হয়তো আরো স্পষ্ট হবে।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।