জাতীয় জীবনে জুলাই একটি টার্নিং পয়েন্ট। জাতীয় মুক্তির স্বপ্নে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের যাঁতাকল থেকে মুক্ত করতে হাজারো জীবনের বিনিময়ে শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগে ঘটেছিল জুলাই বিপ্লব। তাই জুলাই হয়ে উঠেছে আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ। এই জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কবি-সাহিত্যিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম অডিটোরিয়ামে কবিতা বাংলাদেশ আয়োজিত কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠের 'স্মরণে জুলাই বরণে জুলাই' অনুষ্ঠানে বক্তাগণ এসব কথা বলেন।

কবিতা বাংলাদেশের সহ-সভাপতি, কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক কবি মোশাররফ হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি ও সাংবাদিক ড. মাহবুব হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিচিন্তক শাহ্ আবদুল হালিম, কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, কবি ও কথাশিল্পী সোলায়মান আহসান, কবি শরীফ আবদুল গোফরান, লেখক নাসির হেলাল, চারুশিল্পী পরিষদের সভাপতি শিল্পী ইব্রাহিম মণ্ডল, কবি জাকির আবু জাফর, কবি মনসুর আজিজ, সৈয়দ সাইফুল্লাহ শিহাব, কবি ও সাংবাদিক হারুন ইবনে শাহাদাত, বাচিকশিল্পী শরীফ বায়জিদ মাহমুদ, লেখক-গবেষক ড. ইয়াহইয়া মান্নান, অধ্যাপক সাইফুল আরেফিন লেনিন, সাংস্কৃতিক সংগঠক আবেদুর রহমান ও সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাপতি এবং বাচিকশিল্পী মাহবুব মুকুল।

ছড়াশিল্পী নাইম আল ইসলাম মাহিনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবিতা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক কবি ও গবেষক প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ।

বক্তাগণ আরও বলেন, জুলাই মানে একটি অসমাপ্ত বিপ্লব। ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর মধ্য দিয়ে সবেমাত্র এই বিপ্লবের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের সুদূরপ্রসারী ফলাফলের যাত্রায় কবি-সাহিত্যিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে তৎপর থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে কবি শহীদ সিরাজী, নূর আল ইসলাম, আলতাফ হোসাইন রানা, রফিক মুহাম্মদ, হাসিনা মমতাজ, নুরুজ্জামান ফিরোজ, শাহীন হাসনাত, রেহানা সালাম, ইমদাদুল হক হেলালী, আবুল হোসাইন মাহমুদ, শাহজাহান মোহাম্মদ, জালাল খান ইউসুফি, ওয়াহিদ আল হাসান, আরিফ বখতিয়ার, নাসরিন ইসলাম, রহমান মাজিদ, তাজ ইসলাম, ওয়াহিদ জামান, জুবায়ের বিন ইয়াসিনসহ সারা দেশ থেকে আগত শতাধিক কবি জুলাইয়ের কবিতা পাঠ করেন।