সিরিজ হার এড়াতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের। কারণ তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে ২৬ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। এমন সমীকরণের ম্যাচে জয় তুলে নিতে কোনো ভুল করেনি মেহেদী হাসান মিরাজরা। নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। গতকাল সোমবার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড দল। জবাবে ৮৭ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিক বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে আগামী ২৩ এপ্রিল মাঠে গড়াবে সিরিজ নির্ধারণী ওয়ানডে।
এর আগে, টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। সফরকারীদের ইনিংসে একাই ধস নামিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় ফাইফার পান টাইগার তরুণ গতিতারকা নাহিদ রানা। এই ডানহাতি পেসার ১০ ওভার বোলিং করে ১ মেইডেনসহ ৩২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৫ উইকেট। গত ১১ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে ২৪ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন নাহিদ।
কিউইদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেছেন ওপেনার নিক কেলি। তার ১০২ বলের ইনিংসে ছিল ১৪ চারের মার। এছাড়া আর কোনো ব্যাটার বিশের ঘরে পৌছাতে পারেননি। হেনরি নিকোলস ১৩, উইল ইয়াং ৭, অধিনায়ক টম ল্যাথাম ১৪, মুহাম্মদ আব্বাস ১৯, জশ ক্লার্কসন ৬, ডিন ফক্সক্রফট ১৫ রান করেন। আর বোলিংয়ে নাহিদের ৫ উইকেট ছাড়াও শরিফুল দুটি উইকেট শিকার করেন।
১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের ওপেনার সাইফ হাসান। নাথান স্মিথের বলে বিদায়ের আগে দুটি বাউন্ডারিতে করেন ৮ রান। এরপর ক্রিজে আসেন একাদশে ফেরা সৌম্য সরকার। কিন্তু ইনিংসের চতুর্থ ওভারে উইলিয়াম ও'রকির বলে ফক্সক্রফটের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন সৌম্য। তার ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ৮ রান।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১২০ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। দুজনেই ফিফটির দেখা পেলেও জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি। মাত্র ৫৮ বলে ৭৬ রান করা তামিমের ইনিংসটি ১০টি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। শান্ত ৭১ বলে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কায় ৫০ রান করে রিটায়ার্ট হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন।