হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) ফুয়েল কার্ড করতে গিয়েও বিড়ম্বনা শিকার হয়েছেন,কার্ড করেও ভোগান্তিতে পড়েছেন। সব মিলিয়ে ভোগান্তি আরো বেড়েই চলছে বিভিন্ন অফিসগামী কর্মকর্তা, কর্মচারী,শিক্ষক, সাংবাদিক,সাহিত্যিকদের। ফুয়েল কার্ড করে কোন কাজে আসছে না তাদের।
জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে হোসেনপুর ফুয়েল কার্ড নিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল প্রশাসন। উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ১ শত মানুষ এরই মধ্যে নিবন্ধন করেছেন ফুয়েল কার্ড। গত ১০ এপ্রিল থেকে এই কার্ডের মাধ্যমে তেল সরবরাহ শুরু হয়। অথচ এখন পর্যন্ত এই কার্ডের কোনো সুফল মেলেনি। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে আগের মতোই সবাইকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। কার্ডধারীরা জানান, ফুয়েল কার্ডধারীদের এক লাইনে ও আগে প্রধান্য দিয়ে পরে অন্যদের সুযোগ দেয়ার দাবি করেন উপজেলা প্রশাসন কাছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নজরদারি বাড়ানো না হলে ফুয়েল কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে, অফিসগামী কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু বিএনপির নেতা ও পাম্প কর্তৃপক্ষ ব্যাক্তিগত কিছু লোকজন কে তেল নেওয়ার ঘটনা সাহায্য করছে। এক গাড়ির ফুয়েল কার্ড দিয়ে অন্য গাড়িতে তেল নেওয়ারও কিছু ঘটনা রয়েছে।
সম্প্রতি হোসেনপুর পাম্পে তেল নিতে আসেন উপজেলা প্রশাসনের কয়কটি অফিসের কর্মকর্তা,কর্মচারী , শিক্ষক, সাংবাদিক এ সময় তাদের ফুয়েল কার্ড সঙ্গে থাকাসত্বে নম্বর বিহীন ও কার্ড না থাকা গাড়ির ভিড়ে তারা ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়ি থেকেও তেল নিতে পারেননি।