চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয়কৃত ইকুইপমেন্টসহ সিসিটি, এনসিটি টার্মিনাল ব্যক্তি মালিকানায় দেওয়ার আত্মঘাতী ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর শাহজাহান চৌধুরী।
গতকাল সোমবার সকালে চট্টগ্রামের দেওয়ানবাজারস্থ বাংলাদেশ ইসলামিক একাডেমি-বিআইএ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দের সাথে চট্টগ্রাম বন্দর ইসলামী শ্রমিক সংঘ ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বলেন, সিসিটি ও এনসিটি নতুন নির্মিত কোন টার্মিনাল নয়। বর্তমানে এখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের কোন সুযোগ বা প্রয়োজন নেই। অত্যাধুনিক কইন্টেনার হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট দ্বারা সুসজ্জিত ও সাফল্যের সাথে পরিচালিত সিসিটি ও এনসিটি থেকে গত অর্থ বছরে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা এবং কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে আগের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে নতুন রের্কড সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আশাতীত সাফল্যের পরও দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর ৫০ হাজার শ্রমিক কর্মচারীর রুটি রুজির এই বন্দরের প্রাণ-স্পন্দন সিসিটি ও এনসিটি টার্মিনাল স্বার্থান্বেষী মহলের লোলুপ দৃষ্টিতে পড়েছে। আজ বিদেশি বিনিয়োগের কথা বলে এই বন্দরকে মাফিয়া ব্যবসায়িদের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। বন্দরের সকল শ্রেণি পেশার শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়ে সিসিটি ও এনসিটি প্রাইভেটাইজেশন দেওয়ার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি এস এম লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী নায়েবে আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, নগর কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সদরঘাট থানা আমীর এম এ গফুর, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি আবু তালেব প্রমুখ। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর শ্রমিক কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক মো. হেলাল উদ্দিন, সদস্য সচিব মো. ইয়াছিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম আদনান, আবুল বশর ও মো. ওমর ফারুক, মো. শাহ আলম, রেজাউল করিম সেলিম, মো. আমানুল্লাহ প্রমুখ।