রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চারদিনের ব্যবধানে আবারও আরেক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটতে পারে। বুধবার রাত সাড়ে ১২টার পর বেড়িবাঁধ সাদেক খান ইটখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক হলো, আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদ। তিনি মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিং এর বি ব্লকের ৪ নম্বর রোডের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, নিহত আসাদুল হকের বুকে, পিঠে জখম রয়েছে। তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত তা জানা যায় নি। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এ হত্যাকা-ে কারা জড়িত তা নিয়ে তদন্ত চলছে। আইনগত ব্যবস্থা শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দুই নারীর লাশ উদ্ধার : রাজধানীর পৃথক দুই স্থান থেকে দুই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া জামতলা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় মার্জিয়া আক্তারের (২৫) লাশ। অন্যদিকে, লালবাগের আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারের মৌচাক কলোনি থেকে রিনা বেগম (৪৫) নামের আরেক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। বুধবার রাতে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিহতদের মধ্যে মার্জিয়া আক্তার ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার রহিমগঞ্জ এলাকার আবু সামার মেয়ে। বর্তমানে তিনি খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়ার জামতলা কবরস্থান রোডের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। অন্যদিকে, নিহত রিনা বেগম ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার করিমহাজী এলাকার প্রয়াত আলকাস আলীর মেয়ে। বর্তমানে আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারে স্বামী আব্দুল সালামের সঙ্গে থাকতেন তিনি।

খিলগাঁও থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে বুধবার রাত ১১টার দিকে খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া জামতলা কবরস্থান রোডের একটি বাসা থেকে মার্জিয়া আক্তার নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনদের বরাত দিয়ে এসআই মো. ফখরুল আরও জানান, পারিবারিক কলহের জেরে নিজ রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নেন মার্জিয়া। পরে লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এই বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।