কম্বোডিয়ায় অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দেশে ফেরার বিশেষ সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই নমনীয়তা বহাল থাকবে। এরপর থেকে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কম্বোডিয়ান কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক জরুরি সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মূলত অনলাইন স্ক্যাম সেন্টারে কর্মরত ব্যক্তি এবং যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের জন্যই এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ৩০ এপ্রিলের পর দেশটির প্রচলিত আইন অনুযায়ী, অনিয়মিত অবস্থানকারীদের জেল-জরিমানা ও আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, অনিয়মিত বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বাংলাদেশ দূতাবাস কাজ করছে। বিশেষ করে ওভারস্টে জরিমানা মওকুফ এবং ট্রাভেল পাস প্রদানের মাধ্যমে তারা সহায়তা দিচ্ছে। গত ৪ ও ৫ এপ্রিল নমপেনে এক কনস্যুলার ক্যাম্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে শতাধিক ব্যক্তিকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হয়েছে।
তবে দূতাবাসের পর্যবেক্ষণে এসেছে, কিছু ব্যক্তি ট্রাভেল পাস পাওয়ার পরেও অসাধু ব্যক্তিদের পরামর্শে দেশে না ফিরে কম্বোডিয়ায় লুকিয়ে থাকছেন অথবা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছেন। দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড তাদের পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে এবং শাস্তির আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
অনিয়মিত বাংলাদেশিদের অতি দ্রুত দূতাবাস বরাবর আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদনের নিয়মগুলো হলো- ইমেইল: [email protected] অথবা [email protected] ঠিকানায় ইমেইল পাঠাতে হবে। এছাড়া হার্ডকপিতেও সরাসরি আবেদন করা যাবে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র: ট্রাভেল পাসের জন্য পাসপোর্টের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ছবি ও বর্তমান অবস্থানের ঠিকানা জমা দিতে হবে।
জরিমানা মওকুফ: জরিমানা মওকুফের আবেদনের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ও ভিসার কপি অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে।
যেকোনো ধরনের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্রুত দেশে ফেরার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য দূতাবাস থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।