সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৮১ জন। ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ৪৪৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজার ৬০৬ জন। এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৩২৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯৬ জন। এদিকে দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। তাই হামের প্রাদুর্ভাব রোধে আজ সোমবার থেকে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করছে সরকার। এর আগে গত ৫ এপ্রিল দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে জরুরি টিকাদান শুরু হয়। আর ঢাকায় শুরু হয় ১২ এপ্রিল। গত শুক্রবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ব্যাপকভাবে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা কথা জানান। পাশাপাশি টিকার কোনো ঘাটতি নেই জানিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জন এবং সন্দেহজনক আরও ১৮১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ সময় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৪৩ জন এবং সন্দেহজনক আরও ২৩ হাজার ৬০৬ জন আক্রান্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রথম ডোজ নেওয়ার পর চার সপ্তাহ পূর্ণ না হলে হামের টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।