কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা: উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে বাণিজ্যেক ভাবে বিক্রি করছে। এতে করে জমির উর্বরতা শক্তি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে এ অবৈধভাবে মাটি কেটে নিয়ে ফসলিজমির ক্ষতি সাধন করছে। আর কৃষকরা হারাচ্ছে তাদের কৃষি জমি। আর মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কলারোয়া উপজেলার চিতলা গ্রামের ফসলি জমিতে মাটি কাটার দৃশ্য। বিভিন্ন এলাকায় কৃষি জমির মাটি কাটার মহোৎসবে মেতে ওঠেছে অসাধু মাটি ব্যবসায়ীরা। এরমধ্যে উপজেলার ইলিশপুর গ্রামের খোকনসহ আরো অনেকের নাম শোনা যায়।

বেকু দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইটভাটায় অথবা অন্য কোন নীচু জায়গা ভরাট করা হচ্ছে। এতে করে যেমন ক্ষতি হচ্ছে কৃষকদের ফসলি জমির। আর মাটি বহনকারী ট্রাক্টরগুলো নষ্ট করছে গ্রামের কাচা-পাকা রাস্তা । আর রাস্তার ধুলাবালিতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। রাস্তায় জণসধারনের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।একটু বৃষ্টি হলেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা দীঘদিন ধরে কৃষি জমি থেকে মাটি তুলে অন্যত্র বিক্রি করছে। প্রশাসনের তদারকির অভাবে দিন রাত সমান তালে চলছে কৃষি জমির মাটি কাটার মহোৎসব। এ সংক্রান্ত আইনি বিধিনিষেধ থাকলেও কেউই তা মানছে না। ফলে প্রতিদিন একরের পর এক কৃষি জমি হারিয়ে যাচ্ছে। কেউ আবার তিন ফসলি জমি অবৈধভাবে মাটি খনন করে পুকুর বানাচ্ছে। এতে যেমন জমি উর্বরশক্তি হারাচ্ছে তেমনি ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। জমি ১০ থেকে ১২ ফুট গভীর করে ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। তারা এমন অবৈধ কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকলেও প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে বলে স্থানীয় ভূক্তভোগিরা জানিয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা সহকারী( ভূমি )কমিশনার নূসরাত ইয়াছমিন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসারকে পাঠানো হবে বলে জানান।