ফরিদপুর থেকে সংবাদদাতা : ফরিদপুরের ভাঙ্গায় চলতি মৌসুমে কৃষকরা বিভিন্ন প্রকার পেঁয়াজের আবাদ করেছেন। এর মধ্যে মুড়িকাটা, হালি পেঁয়াজ বেশ জনপ্রিয়। পেঁয়াজ বীজ থেকে উৎপাদিত চারায় এখন মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে পেঁয়াজের আবাদ। এর মধ্যে তাহেরপুরী জাতের পেঁয়াজের আবাদ করে লাভবান হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটে উঠেছে হাসির ঝিলিক। পেঁয়াজের উৎপাদন ভান্ডার খ্যাত ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কৃষকরা এখন বীজতলা থেকে চারা তুলে রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে। মাঠে মাঠে সবুজ পেঁয়াজের চারা কৃষকরা রোপণ করছে আর দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। চলতি মৌসুমে বিএডিসি থেকে আনা পেঁয়াজ বীজ রোপণ করে যথেষ্ট সফলতা পেয়েছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মোট ২ হাজার ৯ শত ১৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২ হাজার ৭ শত ৩৩ হেক্টর জমিতে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে মুড়িকাটা ৫১৮ হেক্টর, হালি পেঁয়াজ ১ হাজার ৭ শত ৪০ হেক্টর জমিতে রোপণ করেছেন।

এ মৌসুমে উপজেলায় প্রণোদনার আওতায় তাহেরপুরী, বারি-৪,বারি-৬ জাতের ১৬০ জন কৃষকের মাঝে ১ কেজি করে বীজ সরবরাহ করা হয়। কিন্ত বেশ কিছু বীজ অংকুরিত না হওয়ার অভিযোগ উঠে। পরে কৃষকদের যথাক্রমে ৫শ’ গ্রাম, ১ কেজি করে লাল তীর, বারি-৬ ও তাহেরপুরী জাতের বীজ এ বীজ কৃষকরা বীজতলা দিয়ে কিছুটা বিপাকে পড়ে।