বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাাকায় আলু, কপি ও পেঁয়াজের দাম পড়ে গেছে। ১০০ টাকায় ১০ কেজি আলু মিলছে। প্রতি কপি ২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ, শিম, মিষ্টিকুমড়া, বরবটি, লাউ, মুলাসহ সব শাক সবজির দাম কমে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কপালে কৃষকের। এমন দশায় সবজি বিক্রি না হওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছেন চাষিরা। কৃষককের উৎপাদিত ফসলের মূল্য হ্রাসে উৎপাদন খরচ জুটছে না। এদিকে আলু স্টোরের মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর পাঁয়তারায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা বেড়ে গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ কৃষক দান-পাটের পাশাপাশি সবজি চাষ করে বাড়তি আয় করেন। উপজেলার প্রধান অর্থকারী ফসল আলু। গত বছর আলুর দাম পেয়ে এবারে বিগত দিনের তুলনায় অনেক বেশি আলুচাষ করা হয়েছে। উপজেলার দুইটি পৌরসভাসহ ১৬টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ৮শত ৫০ হেক্টর জমিতে আলুচাষ করা হয়। এতে ২ লক্ষ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আলুর ফলন ভালো হলেও আলুর দর পড়ে যাওয়ায় আলুচাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। আলুর বীজ, সার ও কীটনাশকের দাম বাড়তি অপর দিকে উড়তি আলুর দাম কমায় হতভম্ব হয়ে পড়েছেন আলুচাষিরা। ১ কেজি আলু উৎপাদন করতে খরচ পড়েছে ২৫ টাকা পক্ষান্তরে ১ কেজি আলু ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে প্রতি কেজি আলুতেই ১৫ কেজি লোকশান গুণতে হচ্ছে। গত শুক্রবার হাটে সরেজমিন উপজেলার ভবানীগঞ্জ হাটে ১০ কেজি আলু ১০০টাকায় বিক্রি ও ১টি কপি ২টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। ভবানীগঞ্জ বাজারে সবজি বিক্রেতা রিপন আলী জানান, বাজারে প্রচুর পরিমান সবজির আমদানি। আমদানি বেশি হলেও ক্রেতা খুবই কম। ক্রেতা না থাকায় তাদের সবজি পচতে বসেছে। একই ভাবে বাজারের সবজি বিক্রেতা সাকিল ও সামসুল সবজি বিক্রি হচ্ছে না বলে অলস বসে থাকতে হচ্ছে বলে জানান।