স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিভিন্ন কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতা কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসুর উদ্যোগে ও ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সহযোগিতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘উটঈঝট ঋজঊঊ ঝচঊঈওঅখওঝঊউ ঐঊঅখঞঐ ঋঊঝঞ ৩৬০ক্ক’ পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ডাকসু বিভিন্ন জনমুখী ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিনামূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ওষুধ সরবরাহের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে ডাকসুর দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রতিফলন।
তিনি বর্তমান ডাকসুকে ‘যুগান্তকারী ডাকসু’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও কল্যাণকে সামনে রেখে ডাকসু যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করছে, তা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা থাকা জরুরি।
ডাকসুর বিভিন্ন কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ডাকসু যেসব ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করছে, সেগুলোতে প্রশাসনের অসহযোগিতা কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ডাকসু ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের অধিকার, কল্যাণ ও প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ডাকসুর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা হলে শিক্ষার্থীরা এর সুফল আরও বেশি পাবেন।
এদিন ডাকসুর উদ্যোগে আয়োজিত স্বাস্থ্য ফেস্টের প্রথম দিনে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে পান।
সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এ স্বাস্থ্য ফেস্টে বিভিন্ন বিভাগের ৩০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্টাফ চিকিৎসাসেবা দেন। শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা পরামর্শ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য আফসানা আকতার বলেন, স্বাস্থ্য ফেস্টে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শের পাশাপাশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের ব্যবস্থা থাকায় শিক্ষার্থীরা একই স্থান থেকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন বিবেচনায় এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের অন্যতম বিশেষ দিক হলো, চিকিৎসা নেওয়া শিক্ষার্থীদের পরবর্তীতেও একই চিকিৎসকের কাছ থেকে বিনামূল্যে চেকআপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা ডাকসুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। অর্থনৈতিক বা অন্য কোনো কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই বিনামূল্যে বিশেষায়িত এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শুধু চিকিৎসা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতা ও প্রয়োজনীয় ফলোআপের আওতায় আনার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে আরও কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগ গ্রহণ করবে ডাকসু।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ, ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন ও মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের আহ্বায়ক মারুফ শাহরিয়ার, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহা. মহিউদ্দীন খান, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হায়দার, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজসহ ডাকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
৩০ শিক্ষার্থী নিয়ে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগের ৩০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে DUCSU Industrial Tour ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার আয়োজিত এ শিক্ষা সফরে শিক্ষার্থীদের দেশের মহাকাশ ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BSCL) পরিদর্শনের সুযোগ হয়।
ডাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ট্যুরটি পরিচালিত হয়। এতে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমাও উপস্থিত ছিলেন।
সকাল ৭টায় ডাকসু ভবন থেকে যাত্রা শুরু করে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডে পৌঁছান। ট্যুরের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ও তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি দেশের আধুনিক প্রযুক্তি ও বাস্তব কর্মপরিবেশের সঙ্গে সরাসরি পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
ট্যুরে শিক্ষার্থীরা স্যাটেলাইট অপারেশন, গ্রাউন্ড স্টেশন ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশের মহাকাশ ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পান।
আয়োজকরা বলেন, এ ধরনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুর শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রযুক্তি ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে সহায়ক। একই সঙ্গে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও গবেষণামুখী চিন্তাভাবনা তৈরিতেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডাকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতার কারণে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুরটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও জ্ঞান বিকাশে ডাকসুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আরও শিক্ষা ও ক্যারিয়ারভিত্তিক কার্যক্রম আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে।
‘ গেস্টরুম-গণরুম: নির্যাতনের দাগ ও খতিয়ান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে প্রকাশিত এবং ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ সম্পাদিত ‘ গেস্টরুম-গণরুম: নির্যাতনের দাগ ও খতিয়ান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন অডিটোরিয়ামে এ মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন গ্রন্থটির সম্পাদক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ‘গেস্টরুম-গণরুম: নির্যাতনের দাগ ও খতিয়ান’ শুধু একটি প্রকাশনা নয়; এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, কষ্ট ও নিপীড়নের একটি প্রামাণ্য দলিল। গেস্টরুম ও গণরুমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা নির্যাতনের সংস্কৃতির বাস্তব চিত্র শিক্ষার্থীদের বক্তব্য ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বইটিতে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ভয়, চাপ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক শিক্ষার্থী বছরের পর বছর তাদের অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে বলতে পারেননি। তাদের না-বলা কথাগুলো সামনে আনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের এ অধ্যায় সংরক্ষণ করাই বইটি প্রকাশের অন্যতম উদ্দেশ্য। কোনো শিক্ষার্থী যেন রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের কারণে নির্যাতনের শিকার না হনÑএমন একটি ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয়কে শক্তিশালী করাও এ গ্রন্থের লক্ষ্য।
ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, গেস্টরুম-গণরুমের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর যে নিপীড়ন চালানো হয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা কোনো অনুগ্রহ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার।
তিনি বলেন, অতীতে সংঘটিত এসব ঘটনার সুষ্ঠু নথিবদ্ধকরণ প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার করে একই ধরনের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে না পারে। শিক্ষার্থীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় ডাকসু কাজ করবে।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, গেস্টরুম ও গণরুমে শিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত নির্যাতনের ইতিহাস অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই ভয় দেখানো, আধিপত্য বিস্তার কিংবা রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের জায়গা হতে পারে না; এটি জ্ঞানচর্চা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও নেতৃত্ব বিকাশের নিরাপদ ক্ষেত্র হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদীদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিয়ে এমন একটি ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো শিক্ষার্থী তার রাজনৈতিক মত, পরিচয় বা অবস্থানের কারণে নিপীড়নের শিকার হবেন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে ডাকসু কাজ করবে।
গ্রন্থটির সহসম্পাদনায় রয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না, আফসানা আক্তার, রিয়াদুল ইসলাম যুবা, হোসাইন আহমেদ জুবায়ের, রিজওয়ান মানসুরী, আশফাক উল্লাহ আসিফ, সাইমুম ফেরদৌস ও সুহাইল মাহদীন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের হাতে গ্রন্থটির সৌজন্য কপি তুলে দেন। এ ছাড়া গেস্টরুম ও গণরুমে ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতনের শিকার কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
গ্রন্থটির সহসম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম যুবা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক ও সিনেট সদস্য আসিফ আব্দুল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
নিয়োগে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ
সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশের নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।