সহযোদ্ধাদের অকল্পনীয় পরিশ্রম, দেশ ও প্রবাসের শুভানুধ্যায়ীদের বুক উজাড় করে দেওয়া ভালোবাসা, জায়নামাজে লক্ষ লক্ষ মা-বাবার কান্নাজড়ানো দোয়ার বরকতে শিক্ষার্থীদের অকুণ্ঠ সমর্থন লাভ করেছিলাম আমরা।

নানা অসহযোগিতা ও সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে আপনাদের অকৃত্রিম সমর্থন ও ভালোবাসায় বিগত এক বছরে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নিয়োজিত রেখেছি। একইসাথে সারাদেশের শিক্ষার্থীসমাজ তথা দেশবাসীর অধিকার ও কল্যাণের প্রশ্নে সর্বদা সরব থেকেছি আমরা।

বাধাবিপত্তি ও আঘাত সয়ে আমরা ক্যাম্পাসে শান্তি ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। বন্ধ হয়েছে গণরুম-গেস্টরুমের মতো দীর্ঘদিনের নিপীড়নমূলক সংস্কৃতি ফেরার পথ। একই সাথে পরিবহন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষনায় উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম, স্কিল ডেভলপমেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা, হলে পড়াশোনার পরিবেশ উন্নয়ন সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেখেছে ইতিবাচক রূপান্তরের সূচনা। আমরা দেখিয়েছি, ছাত্রসংসদ মানে ক্ষমতা নয়, সেবা; আধিপত্য নয়, প্রতিনিধিত্ব, ভয় নয়, স্বাধীনতা।

গণতান্ত্রিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব শান্তিপূর্ণ স্বপ্নের ক্যাম্পাস বিনির্মাণের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার এই অগ্রযাত্রায় আপনারা প্রত্যেকেই একজন গর্বিত অংশীদার। ডাকসুর এক বছরের পথচলায় পাশে থাকার জন্য আপনাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও ক্যাম্পাসের ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠুক ইনসাফের বাংলাদেশ, সেই প্রত্যাশায়..