# ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ ও গাজায় হামলা বন্ধের ডাক

বর্ণাঢ্য আয়োজনে সারাদেশে বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। হাজারো প্রাণের উচ্ছ্বাসে ধর্ম-বর্ণের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলা নতুন বছর ১৪৩৩ বরণ করেছে রাজধানীবাসী। এ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ আয়োজন করে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’।

এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। পরে শাহবাগ থানার সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদের সামনে এসে শেষ হয়। ফ্যাসিবাদের পতনের পর দ্বিতীয় বর্ষবরণে এবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের ঢল নামে। এবারের বাংলা নববর্ষে রমনার বটমূল থেকে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধের ডাক দেয়া হয়। এছাড়াও বর্ষবরণের অনুষ্ঠান থেকে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে শোভাযাত্রা বের হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ৯টা ৩ মিনিটে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং এর ঠিক তিন মিনিট পরেই বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রাটি বের হয়। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। শোভাযাত্রা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের উপচেপড়া ভিড়ে পুরো এলাকা এক আনন্দঘন জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের উত্তর গেট থেকে বের হয়ে শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি হয়ে দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে। এরপর বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে এটি শেষ হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এবারের উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাস্ক বা মুখোশ পরা নিষিদ্ধ থাকায় অংশগ্রহণকারীরা চারুকলার তৈরি মুখোশগুলো হাতে নিয়ে প্রদর্শন করেন।

এবারের শোভাযাত্রায় বাংলার লোক-ঐতিহ্য ও সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মেলবন্ধনে পাঁচটি প্রধান মোটিফ বা প্রতীক তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ‘মোরগ’ মোটিফটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রাকে স্বাগত জানাতে মোরগকে নতুন ভোর ও জাগরণের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম শেখ এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, একটি দীর্ঘ দুঃশাসনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে নতুন সূর্যের উদয় হয়েছে, মোরগের ডাকে সেই শুভক্ষণকেই উদযাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাও ফুটে উঠেছে এই প্রতীকে।

সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে শোভাযাত্রায় রাখা হয়েছে আরও চারটি মোটিফ। বাউল শিল্পীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও লোকজ সংগীতের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে এবং সাংস্কৃতিক শিকড়কে তুলে ধরতে আনা হয়েছে বিশালাকৃতির ‘দোতারা’। শান্তি ও সহাবস্থানের বৈশ্বিক ডাক দিতে রাখা হয়েছে ‘পায়রা’। এ ছাড়া লোকশিল্পের আভিজাত্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে নারায়ণগঞ্জের লোকশিল্প জাদুঘরের আদলে নির্মিত হয়েছে ‘কাঠের হাতি’ এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত ‘টেপা ঘোড়া’ শোভাযাত্রাকে করেছে আরও আকর্ষণীয়। এবারের পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ায় মুখোশ পড়া নিষিদ্ধ থাকায় চারুকলা অনুষদ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করতে দেখা যায় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের। শোভাযাত্রার সম্মুখভাগে ছিল পুলিশের সুসজ্জিত ১২টি ঘোড়ার বহর। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে শোভা পাচ্ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের বাজানো ‘এসো হে বৈশাখ’ ও দেশাত্মবোধক গানের সুরে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা।

প্লাকার্ড হাতে ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান

‘বন্ধ কর ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ’ এমন প্লাকার্ড নিয়ে রমনার বটমূলের বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে এসেছেন মতিউর রহমান। তিনি বলেন, যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। পৃথিবীকে সুন্দর ও সুস্থ রাখতে হবে। তাহলেই আমরা ভাল থাকবো। পুরোনো বছরের দুঃখ-বেদনা, ভুল-ভ্রান্তি পেছনে ফেলে নতুন প্রত্যাশায় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে রমনার বটমূলে উৎসবের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলা নতুন বছরকে বরণ। মতিউর রহমান ভোরে রাজবাড়ী থেকে বৈশাখ উদযাপন করতে রমনার বটমূলে এসেছেন। রমনার বটমূলে মতিউর রহমান বলেন, মানুষ সভ্য জাতি। কোন সভ্য দেশ-সমাজ যুদ্ধ চায় না। আমিও চাই না। অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে জানিয়ে মতিউর রহমান বলেন, যুদ্ধ দেশ-জাতিকে ধ্বংস করে। কেড়ে নেয় নিষ্পাপ প্রাণ। এটা হতে দেওয়া যায় না।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ

জমজমাট অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ (পহেলা ৈৈবশাখ) বরণ করা হয়। বরেণ্য শিল্পীদের একের পর এক বাউল গান, ভাওয়াইয়া ও দেশী গানে বর্ষবরণ উৎসব সবাইকে মুগ্ধ করে। প্রেস ক্লাব সদস্যদের ছেলেমেয়েদের পরিবেশনায় ‘এসো হে বৈশাখ এসো’ গান দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় প্রেস ক্লাব সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য খই, মুড়ি-মুড়কি, পায়েস, বাতাসা, খিচুড়ি ও পান্তা ইলিশে প্রাতঃরাশের আয়োজন করা হয়। মধ্যাহ্নভোজের দেশীয় বিশেষ খাবারে সদস্যগণ সপরিবারে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বাউল সঙ্গীত পরিবেশন করেন পুতুল বাউল, উপমা বাউল, উল্কা হোসেন, ইমু বাউল, শামিম বাউল। এছাড়াও শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পী সোহানুর রহমান, আবিদা রহমান সেতু ও মোহনা দাস গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুতুল নাচ পরিবেশিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনতথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সংস্কৃতির বহুত্ববাদ না বুঝে নববর্ষের গায়ে কেউ কেউ নানা মতের মুখোশ পরাতে চায়। বাংলা নববর্ষের ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মোগলরা যখন এই সনের প্রবর্তন করেন, তখন তারা হিজরি সাল থেকে সংখ্যা গ্রহণ করেছেন এবং এর সারবস্তু হিসেবে কৃষকের ফসল ও হালখাতার সংস্কৃতিকে গ্রহণ করেছেন। ফলে এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে আমাদের বাংলাদেশি সংস্কৃতি।’ জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব এই ধরনের সাংস্কৃতিক চর্চার যে ধারাবাহিকতা রাখছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

সকাল ৯টায় ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন- বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গণি চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ বক্তব্য রাখেন। ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাজী রওনাক হোসেন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ বখতিয়ার রাণা, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাহনাজ বেগম পলি, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, মাসুমুর রহমান খলিলী, একেএম মহসীন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম প্রমুখ। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

ডিআরইউর বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে ঐতিহ্যবাহী উৎসব ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ডিআরইউ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিক সমাজ ও দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “কৃষি ও কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। নির্বাচিত সরকার কৃষি ও কৃষককে দেশের অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মোগল সম্রাটদের প্রবর্তিত বাংলা সনের ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে সরকার এ বছর পহেলা বৈশাখকে ‘কৃষক কার্ড’ বণ্টনের উদ্বোধনী দিন হিসেবে বেছে নিয়েছে। মন্ত্রী বর্তমান সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান। সভাপতির বক্তব্যে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, নতুন সরকার, নতুন গণতন্ত্র ও নতুন বছর-এই তিনের সমন্বয়ে এবারের বৈশাখ এক ভিন্ন আমেজে উদযাপিত হচ্ছে। ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। তিনি বিগত সময়ের তুলনায় এ বছর বৈশাখী উৎসবে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ডিআরইউ’র দিনব্যাপী এ আয়োজনে সহযোগিতার জন্য পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ও আয়োজনকে সফল করার জন্য সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ডিআরইউ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ‘পুতুল নাচ’ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। পরে আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয় ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ।

এনসিপির বৈশাখী শোভাযাত্রা

পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার সড়কে ৩৫ মিনিটের শোভাযাত্রা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ঢাকের বাদ্যের তালে তালে সড়কে হেঁটে হেঁটে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। শোভাযাত্রা থেকে তারা সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার বাংলামোটর থেকে পরীবাগ পর্যন্ত এলাকায় এনসিপির এই শোভাযাত্রা হয়। বাংলামোটরের নেভি গলি থেকে বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে শুরু হয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের মোড় ঘুরে বাংলামোটর হয়ে আবার নেভি গলিতে এসে শোভাযাত্রা শেষ হয়। এনসিপির সংস্কৃতি সেলের আয়োজনে দুপুর তিনটার আগেই নেভি গলিতে এনসিপির বৈশাখী মেলা শুরু হয়। সেখানে বায়োস্কোপ, মাটির তৈজসপত্রের দোকান ছাড়াও ফুচকাসহ বিভিন্ন খাবারের দোকান বসে। সেখান থেকে ৩টা ৪০ মিনিটে শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রার প্রথম তিন সারিতে ছিলেন এনসিপির নেত্রীরা, এরপর ছিলেন নেতারা। নেত্রীদের অধিকাংশই রঙিন শাড়ি পরেছিলেন। অনেকের হাতে ছিল কুলা। আর পুরুষদের অনেকে সাদা পাঞ্জাবির পাশাপাশি মাথায় পরেছিলেন নতুন গামছা।

এনসিপির নেত্রীদের মধ্যে শোভাযাত্রায় ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম প্রমুখ। আর নেতাদের মধ্যে অংশ নিয়েছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্যসচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, মাহিন সরকার প্রমুখ। শোভাযাত্রায় অনেকের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। এর কোনোটিতে লেখা ছিল ‘সম্প্রীতির ধ্বনিতে উচ্চারিত হোক স্বাধীন বাংলাদেশ, আমাদের পথ’, কোনোটিতে ‘নতুন বছরের আলোয় মুছে যাক সব বিভাজন, গড়ে উঠুক ভালোবাসা আর সম্প্রীতির বন্ধন’, আবার কোনোটিতে লেখা ছিল ‘ঢাকের তালে উঠুক ডাক, সকল গ্লানি মুছে যাক’।