আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।  তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ করা হবে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। এর আগে বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীনের আনুষ্ঠানিক যোগদান ঘোষণা করেন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে এক প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‌‘বাংলাদেশের নির্বাচন সাধারণত উৎসবমুখর পরিবেশে হয়। তাই বর্ষা শেষে শুষ্ক মৌসুমে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন শুরু হতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে আমার ধারণা। যেহেতু আমাদের মন্ত্রী মহোদয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী উনি যেহেতু বলেছেন যে এক বছরের মধ্যে নির্বাচনগুলো শুরু হবে। তো বর্ষা মৌসুমের পরে শুষ্ক মৌসুমে পর্যাক্রমে ধাপে ধাপে এক বছরের মধ্যে আমরা পাঁচটি নির্বাচন শেষ করবো।’

কোন নির্বাচন আগে হবে এ বিষয়ে তিনি বলেন, বাজেট পাওয়া সাপেক্ষে কোন নির্বাচন আগে হবে তা ঠিক করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এরপর ধাপে ধাপে বেশি বাজেটের নির্বাচন করা হবে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আপনাদের কি পরিকল্পনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে সংসদে সিটি করপোরেশন সংশোধন আইন পাস হয়েছে। নতুন আইনে দলীয় প্রতীক ছাড়া সাধারণ প্রতীকে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

তিনি জানান, বগুড়া সিটি করপোরেশনের তফসিল অন্য ১২টি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে একযোগে ঘোষণা করা হবে।

নতুন সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম গতিশীল করতে চলতি অর্থবছরেই প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বগুড়া সিটি করপোরেশনের জন্যও দ্রুত বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে বিপুল অর্থ বরাদ্দের বিষয় জড়িত। আগামী বাজেটে স্থানীয় নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হবে। এ সংক্রান্ত ব্যয়ের বিবরণ জানতে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দেয়া হয়েছে।