স্টাফ রিপোর্টার
জুলাই শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা, দোয়া, আলোচনাসহ নানা কর্মসূচিতে সারাদেশে উদযাপিত হয়েছে জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি। এসব কর্মসূচিতে সবাই জুলাইয়ের আকাক্সক্ষার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সেইসাথে জুলাই শহীদদের হত্যার বিচার দাবি করার পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নেরও দাবি করেন। আজ থেকে দুই বছর আগে ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট হাসিনা জীবন বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এবং ভারতে আশ্রয় নিয়ে জীবন রক্ষা করেন। এখনো তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। দেড় হাজারের বেশি জীবনের বিনিময়ে আর প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের স্মরণে ৫ আগস্টকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
দিনটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে গতকাল বুধবার দেশের বিভিন্ন স্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, র্যালি এবং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ঢাকার বাইরেও বিভাগ ও জেলা- উপজেলা পর্যায়ে দিবসটি উপলক্ষে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ৫ আগস্টকে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, পুষ্পস্তবক অর্পণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা এবং নানা আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠান।
জাতীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সকাল ৬.০১ মিনিটে শাহবাগস্থ জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঢাকার শেরেবাংলা নগরস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এমপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি দেশের সকল জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনসমূহে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ৬৪টি জেলায় জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ঢাকা মহানগরসহ সকল সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, সামরিক জাদুঘর, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরসহ দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিনোদন কেন্দ্রসমূহ শিশুদের জন্য দিনব্যাপী উন্মুক্ত রাখা হয়। পাশাপাশি দেশের সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার ও বৃদ্ধাশ্রমে বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সরকারি ভবন ও স্মৃতিস্তম্ভ জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে আলোচনা সভার পাশাপাশি রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান সকাল ৯টায় শহীদদের স্মরণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করেন। এছাড়া দেশব্যাপী জেলা ও মহানগরে বিভিন্ন বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে গণভোটের রায় কার্যকর, নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিএনপি নেতাদের নিয়োগের প্রতিবাদসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে ৫ আগস্ট ঢাকার পল্টনে সমাবেশের ডাক দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর : যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গাজীপুরে পালিত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি), জেলা পুলিশ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে।
গতকাল বুধবার সকালে গাজীপুর মহানগরীর জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নূরুল করিম ভূঁইয়া, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শওকত হোসেন সরকার, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোঃ শরিফ উদ্দিনসহ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও জিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পৃথকভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
পরে গাজীপুরের বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’-এর তাৎপর্যবিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নূরুল করিম ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শওকত হোসেন সরকার, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আইয়ুবী, গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুধীজন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। তাঁদের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দিবসটি উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন মসজিদে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একইসঙ্গে মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। সরকারি হাসপাতাল, জেলা কারাগার, শিশু পরিবার, পথশিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম ও অন্যান্য সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় এবং সন্ধ্যায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়।
এদিকে, বিকেলে গাজীপুর মহানগরের শিববাড়ী মোড়ে ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার’ দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বিরোধীদলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুহাম্মদ আব্দুর রব, ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ড. আতিক মুজাহিদ এমপি, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজীপুর মহানগরের আমীর অধ্যাপক মুহা. জামাল উদ্দীন।
খুলনা ব্যুরো জানান,
‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গতকাল বুধবার খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে শিববাড়ি জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাইযোদ্ধারা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর ইউনিট, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদ, সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। পরে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং নগরীর বসুপাড়া কবরস্থানে জুলাই শহিদ শেখ সাকিব রায়হানের কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে জুলাই শহিদ পরিবার, আহত এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। সভায় পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শহিদ শেখ মো. সাকিব রায়হানের পিতা শেখ আজিজুর রহমান, মাথা নূরনাহার, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত, নিহত পরিবারের সদস্যগণ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিববাড়ি মোড়, শহিদ হাদিস পার্কসহ, ময়লাপোতা মোড়, জোড়াগেট, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যত্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র/প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বাদ যোহর মসজিদসমূহে বিশেষ মোনাজাত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহিদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিকালে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুরে সকল সরকারি হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার, শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানা দ্বারা সজ্জিত করা হয়। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আলোকসজ্জা এবং গ্রাফিতি অঙ্কন করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলাসমূহেও অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হয়।