অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, নির্বাচনী গণতন্ত্রের যাত্রায় বিগত নির্বাচনগুলোর ইতিহাস সুখকর নয়। ২০২৪ সালের জুলাই-উত্তর বাংলাদেশে জনগণের প্রত্যাশা ছিল একটি ঐতিহাসিক ও শ্রেষ্ঠ নির্বাচন দেখার। নির্বাচন কমিশন পলিসি লেভেলে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করলেও মাঠপর্যায়ে বা ভেতরের প্রক্রিয়ায় সেই স্বচ্ছতা বজায় থাকেনি। আইনের তোয়াক্কা না করে কালো টাকার ব্যবহার এবং এক শ্রেণির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভোটের ফলাফলে এক ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, দেশে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান হলে প্রথমেই নির্বাচন কমিশনে হাত দেওয়া হবে যাতে এই প্রতিষ্ঠানটিকে আপাদমস্তক পরিবর্তন করা যায়। বিগত নির্বাচনে চরম ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপি হয়েছে দাবি করে তিনি এর তীব্র সমালোচনা করেন এবং এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মাটিতে বিচার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
গতকাল সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর বিদায়ী ও নতুন কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে তারা এ কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যম এবং নির্বাচন কমিশনকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় যত সুন্দর হবে, দেশ ও জনগণের স্বার্থ তত বেশি সংরক্ষিত হবে।
বিগত নির্বাচনের গুণগত কিছু পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়েছেন এবং বড় ধরনের কোনো হাঙ্গামা দেখা যায়নি, যা ইতিবাচক। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার কারণে একে পুরোপুরি সুষ্ঠু নির্বাচন বলা যাচ্ছে না। কমিশনের চেইন অব কমান্ডের মধ্যে থাকা কিছু লোক এই অনিয়মের অংশীদার ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন এবং এ বিষয়ে আদালতে প্রমাণসহ নথিপত্র জমা দেওয়ার কথা জানান।
জাতীয় সংসদের শপথ অনুষ্ঠান এবং নির্বাচন কমিশনের আইনি বৈধতা নিয়ে সংসদে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের দিকে ইঙ্গিত করে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকা- নিয়ে পার্লামেন্টে যেসব সমালোচনা বা রেজুলেশন আনা হয়েছে, সে বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য বা ব্যাখ্যা জাতি পায়নি। দেশের গণতন্ত্রকে একটি মসৃণ পথে এগিয়ে নিতে হলে ভোটের সঠিক প্রতিফলন নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু সুন্দর সুন্দর বক্তব্যের ফুলঝুরি দিয়ে গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়, বরং প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে আমানতদারিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে। পূর্বের ফ্যাসিবাদী আমলের মতো রক্তাক্ত সংঘর্ষ বা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ যেন এই নির্বাচনে না ঘটে, তা নিশ্চিত করাই এখন নির্বাচন কমিশনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বড় ক্ষতি জামায়াত চায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশকে সঠিক পথে রাখতে রাজপথে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জনগণ তাদের পাশে থাকবে। একইসঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন এবং জনগণের ভোটাধিকারের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে তিনি উপস্থিত সাংবাদিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, বিগত নির্বাচনে নগ্নভাবে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে কক্সবাজারের হামিদুর রহমান আযাদ-এর মতো প্রার্থীদের হারানোর খেলা হয়েছে। এটি পুরোপুরি একটি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন ছিল।
এই বক্তব্যের পর তাকে এই অফিসে আর ঢুকতে দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, আগামীতে কোনো গণ-অভ্যুত্থান হলে তার প্রথম টার্গেট হবে এই নির্বাচন কমিশনকে গোড়া থেকে পরিবর্তন করা। কারণ নির্বাচন কমিশনের মেরুদ- সোজা থাকলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
নির্বাচনে দ্বিমুখী নীতির অভিযোগ এনে এনসিপি এই সমন্বয়ক বলেন, একজন প্রার্থী হিসেবে তিনি নিজে এই নির্বাচনে কমিশনের বৈষম্যমূলক নির্দেশনা দেখেছেন। মামুনুল হকের আসনে এক নিয়ম আর তার নিজের আসনে অন্য নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া নির্বাচনের দিন ডিসি অফিসে যেভাবে ডিজিএফআই, এনএসআই এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা নগ্নভাবে ইলেকশনের ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে, তা পুরো দেশ দেখেছে এবং এর নগ্ন সাক্ষী হিসেবে তারা এই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।
ঋণখেলাপিদের ছাড় দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনারদের তীব্র সমালোচনা করে নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, কমিশনাররা দুঃখ-কষ্টের কথা বলে ঋণখেলাপিদের অ্যাপ্রুভাল (অনুমোদন) দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ সংবিধান লঙ্ঘন। গণ-অভ্যুত্থানের পরেও যেভাবে ঋণখেলাপিদের ছাড় দেওয়া হয়েছে, তা বাংলাদেশের সভ্য ইতিহাসে মানায় না।
তারা প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদ নিয়ে বর্তমানে টিকে আছেন উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যদি এই ধরনের কোনো কর্মকা- পুনরায় করা হয়, তবে রাজপথের পরিস্থিতি ভয়াবহ ও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে।
অতীতের একটি ঘটনার কথা স্মরণ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, সে সময় আফরোজা আব্বাস বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সামনে বিশাল জমায়েত করেছিলেন। আমি ডাক দিলে সেখানে লাখো মানুষ চলে আসতো এবং একটি রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়ে অনেক লাশ পড়তো। কিন্তু কোনো বাবার বুক যাতে খালি না হয়, সেই জবাবদিহিতার জায়গা থেকে তখন সরে এসেছি। এই নির্বাচন কমিশনের যারা এই নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের বিচার ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতে বাংলার মাটিতে করা হবে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে কমিশনকে কড়া বার্তা দিয়ে নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, এই নির্বাচনে যদি কোনো বাজে পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে তার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা হবে। তারা সাংবিধানিকভাবে দেশের জন্য কাজ করছেন এবং ব্যক্তি নাসিরউদ্দীন হিসেবে নয়, বরং এনসিপির প্রতিনিধি হয়েই আমি এই কথাগুলো বলছি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন যদি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন না হয়, তবে রাজপথ আবারও ভয়াবহ তপ্ত হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, সাংবাদিকরা সবচেয়ে কঠিন কাজ করেন এবং তারা জানেন এখানে কে দুর্নীতিগ্রস্ত আর কে চোর-বাটপার। মালিকপক্ষের বা অন্য কোনো চাপে সত্য প্রকাশে বাধা থাকলে আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন, যেমন: ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস’ বা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রদানকারী সংস্থা সিপিজে-এর সাথে কানেকশন তৈরি করা হচ্ছে। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মধ্য দিয়েই দেশের নির্বাচন কমিশন একদিন নেপালের চেয়েও উন্নত ও গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা জরুরি-সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সহিংসতামুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতা জরুরি।
সিইসি বলেন, অতীতে স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষ, সহিংসতা ও প্রাণহানির যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন যেন ‘কারবালার পরিস্থিতি’ সৃষ্টি না করে, সে জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংযম ও সহনশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বহু হত্যাকা- ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অত্যন্ত তীব্র হয়ে ওঠে। একই পরিবার বা একই এলাকার প্রার্থীদের মধ্যেও সংঘাত দেখা দেয়। এ কারণে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে রক্তপাতহীন নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এবার দলীয় প্রতীক ব্যবহার না হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, যা নির্বাচনকে উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। আমরা চাই, ভালো নির্বাচনের একটি সংস্কৃতি চালু হোক। শুধু একটি নির্বাচন নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই যেন সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একা কোনো নির্বাচন সফল করতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক ও ভোটারসহ সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রমে গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের পূর্ণ সহায়তার কথাও তুলে ধরেন সিইসি। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে আসছে। প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিবিধান সংস্কার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দুটি রাজনৈতিক দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা ছাড়া কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা সম্ভব নয়।
সিইসি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার না হলেও গণমাধ্যমে দেখছি, বিভিন্ন দল ইতোমধ্যে মনোনয়নের ঘোষণা দিচ্ছে। এটা আমার জন্য চিন্তার বিষয়। যদি সবাই স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করত, তাহলে দলের মালিকানা বা প্রভাব থাকত না, দলীয় কোন্দলও কম হতো। এ কারণে আমি মনে করি, দলগুলোর নিজেদের মধ্যে বসে বিষয়গুলো মীমাংসা করা উচিত। আমাদের সহায়তা থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘একটি নির্বাচন ভালো হয়েছে মানেই এই নয় যে বাংলাদেশের সব নির্বাচন সবসময় ভালো হবে। আমরা ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করতে চাই। শুধু একটি নয়, সব নির্বাচনই যেন ভালো হয়। নির্বাচনের ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে দলগুলোও নিজেদের মধ্যে বসুক। আমরা চাই, সত্যিকার অর্থে শতভাগ ভালো একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন যেহেতু দলীয় প্রতীকে হবে না, তাই কিছু বিধিবিধান সংস্কার করতে হবে। এ নিয়ে কাজ শেষ করে আমরা সরকারের সঙ্গে বসব। সরকার এ বছরের মধ্যেই নির্বাচন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। তবে এসব প্রস্তুতিতে সময় লাগে।’
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসির চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ বক্তব্য দেন।
এ সময় আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ-দৌলার নেতৃত্বাধীন ১ মার্চ নির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজ ‘র সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেস ‘র চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ ও সংস্থাটির সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন, আরএফইডি'র বিদায়ী সেক্রেটারিসহ অন্য নেতৃবৃন্দ ও সংগঠনটির অন্য সদস্যরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।