বাংলাদেশে ই-সিগারেটের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ইউনিসেফ। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এই দুই সংস্থা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সংস্থাগুলোর মতে, জনস্বাস্থ্য রক্ষাÑবিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষার জন্য ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ই-সিগারেটে থাকা নিকোটিন অত্যন্ত আসক্তিকর এবং এটি মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ই-সিগারেট তরুণদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন ফ্লেভার ও আকর্ষণীয় প্রচারণা ব্যবহার করা হয়, যা নতুন প্রজন্মকে নিকোটিনের ওপর নির্ভরশীল করে তুলতে পারে। পাশাপাশি, ই-সিগারেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে পরবর্তীতে সাধারণ সিগারেট ব্যবহারের ঝুঁকি প্রায় তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ তামাকজনিত কারণে মারা যায়। ফলে নতুন ধরনের নিকোটিন পণ্যের বিস্তার এ জনস্বাস্থ্য সংকটকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংস্থা দুটির মতে, জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে ই-সিগারেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখা এবং তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা জরুরি।