ফেনীতে মহুরী নদীর বাঁধ ভাঙার ফলে প্রতিবছরই ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুলগাজীবাসী। চব্বিশের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার পর এখন পানি দেখলেই আতংকিত হচ্ছে ফেনীবাসী। ১৯ জুন রাতে ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের উত্তর বরিয়া গ্রামে বেড়িবাঁধের ভাঙন সৃষ্টি হয়। ধীরে ধীরে এটি ৬০-৭০ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। যার ফলে ৮ মাস না যেতেই আবারো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মৎস্য ঘের, পোল্ট্রি খামার ও ফসলি জমি সহ নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ বসতঘর। তবে মহুরি নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং প্লাবিত অঞ্চল থেকেও পানি নামতে শুরু করেছে। এদিকে এলাকাবাসী দোষারোপ করছে (পাউবি) প্রকল্প কর্মকর্তাদের। স্থানীয় জামায়াত নেতা আবুল কালাম শামীম জানান, প্রতিবছরই বিভিন্ন স্থানে মুহুরী নদীর বাঁধ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুলগাজীবাসী, বিগত সরকারের আমলে বেড়িবাঁধের উপর এলজিএডির নিম্নমানের কাজের ফলে ভাঙন সৃষ্টি হয়। ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল আলম স্বপন বলেন, নদী খনন করে উভয় পাশে বেড়ীবাঁধ নির্মান ছাড়া এর স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহরিয়া ইসলাম ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ খবর নেয় এবং সার্বিক সমন্বয়ে তদারকি করেন। উপজেলা প্রকৌশলী আসিফ মাহমুদ জানান,পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে এলজিএডি থেকে চলাচলের টেকসই রাস্তা নির্মাণ করা হবে। ফুলগাজী উপজেলা জামায়াত আমীর জামাল উদ্দিন চৌধুরী জানান, মুহুরী নদীর অধিকাংশ স্থানই ঝুঁকিপূর্ণ, এলাকাবাসী ত্রাণ নয় টেকসই বাঁধ নির্মাণ চায়।

এছাড়াও জগৎপুরে চব্বিশের বন্যায় ভাঙনটি মেরামত করলেও এখনো রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ, তবে সুবিধাজনক সময়ে এখানে ফ্লাডওয়াল নির্মাণের কথা জানিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।