ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা : ময়মনসিংহের ধোবাউড়া নেতাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে প্রশাসনের সাথে চোর-পুলিশ খেলা শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করছেন নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষজন। দিনের বেলায় ড্রেজার স্থাপনা ব্যতীত অন্য কোন সরঞ্জাম রাখা হয়না নদীতে। রাত গভীরের সাথে সাথে ড্রেজারসহ সকল প্রকার সরঞ্জামাদি নিয়ে চলে যায় যার যার স্থাপনার কাছে। চালু করা হয় ড্রেজার মেশিন। রাতভর দেদারসে উত্তোলন করা হয় বালু। ড্রেজার শব্দদূষণে ঘুমাতে পারেনা নদীর পাড়ের মানুষ। আহাজারিতে রাত কাটে বয়স্ক রোগীদের, ঘুমাতে পারেনা ছোট ছোট শিশু বাচ্চাসহ স্থানীয় বসতিরা। প্রতিনিয়তই একই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ঘোষগাঁও-শিবানন্দখিলা ও ঘোষগাঁও-এরশাদ বাজার সড়কের আশপাশের বসতিদের। সন্ধ্যার পর থেকেই এসব সড়ক দিয়ে দাপিয়ে বেড়ায় বালু ভর্তি অবৈধ লড়ি। উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ ড্রেজার মেশিন জব্দ, স্থাপনা উচ্ছেদ, ড্রেজার বিনষ্ট, বালু জব্দ, ট্রাক ও লড়ি চালকদের জরিমানা করা হলেও কোনভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা উত্তোলন ও বহন কার্যক্রম। গত কয়েকমাস লাগাতার অভিযান পরিচালনা করে সাময়িক সময়ের জন্য মাঝেমধ্যে কিছু সময় উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও নানা নাটকীয় কৌশল অবলম্বনের মধ্যমে বালু উত্তোলন পুনর্বহাল রেখেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। স্থায়ীভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হলে নিয়মিত মামলা ও উত্তোলনকারীদের জেল দেওয়ার মাধ্যমে বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করছে তীরবর্তী এলাকার মানুষ এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবিও জানিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
ধোবাউড়ায় নেতাই নদীর বালু উত্তোলনে চোর-পুলিশ খেলা
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া নেতাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে প্রশাসনের সাথে চোর-পুলিশ